শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতির রূপ বদলানোর সাথে সাথে গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় এখন আমের মুকুলের ঘ্রাণে চারপাশ মৌ মৌ করছে। শীতের তীব্রতা কাটিয়ে ফাল্গুনের শুরুতেই গাইবান্ধায় সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল, যা দেখে বাগান মালিক ও সাধারণ কৃষকদের মনে বইছে আনন্দের হিল্লোল।জেলার সদর উপজেলা, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ এবং সাদুল্লাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়,বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে রাস্তার ধার ও বড় বড় বাণিজ্যিক আম বাগানগুলোতে সোনালী রঙের মুকুলের সমারোহ। প্রকৃতির এই আশীর্বাদকে ঘিরে কৃষকদের কর্মব্যস্ততা এখন তুঙ্গে, কারণ সঠিক পরিচর্যার ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের ফলন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আম চাষের জন্য বেশ অনুকূলে রয়েছে এবং যদি বড় ধরণের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা শিলাবৃষ্টি না হয়, তবে এবার গাইবান্ধায় আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় প্রতিটি গাছেই আগাম মুকুল এসেছে এবং গুটি আসা পর্যন্ত যদি কুয়াশার প্রকোপ কম থাকে, তবে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর ও আম্রপালিসহ বিভিন্ন জাতের সুস্বাদু আমের সমারোহ ঘটবে এই জনপদে। বর্তমানে হপার পোকার আক্রমণ ঠেকাতে এবং মুকুল ঝরে পড়া রোধ করতে কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। বিশেষ করে মুকুল আসার এই সময়ে মৌমাছিদের আনাগোনা পরাগায়নে ব্যাপক সহায়তা করছে, যা অধিক ফলনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন যাতে কোনো রোগবালাই আমের ফলন ব্যাহত করতে না পারে। সব মিলিয়ে গাইবান্ধার দিগন্তজুড়ে এখন কেবল আমের মুকুলের সোনালী আভা আর কৃষকের আগামীর স্বপ্ন বোনার গল্প, যা জেলাজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল★ টেলিফোন:+8809638126318, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : কাজী মোস্তফা রুমি ★ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রেজা★বার্তা সম্পাদক: আসাদুজ্জামান লিয়ন, বিজ্ঞাপন সম্পাদিকা: মিসেস চামেলী আক্তার★
ই-পেপার