স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার ও কুৎসার শিকার হয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতা এহসানুল কবির টুকু। এখনো টুকু প্রতিনিয়ত অপপ্রচার ও অপতথ্যের শিকার হচ্ছে। বিএনপির একটি গ্রুপ যারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগ করে তাদের সাথে আতাত করে চলতো, সেই সকল সুবিধাভোগী বিএনপির নেতারা এখন এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী নেতৃবৃন্দ বলেন,এহসানুল কবির টুকু দীর্ঘদিন যাবৎ বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পারিবারিক ভাবে তিনি একজন শিক্ষানুরাগী, এছাড়াও তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অত্যান্ত আপজন হিসেবে এলাকায় অতিপরিচিত।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গোদাগাড়ী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারন মানুষ, শিক্ষক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের সাথে কথা বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন তারা।
এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার নিয়ে কথা বললে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিএনপির কিছু সুবিধা ভোগী নেতারা তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে , এই মিথ্যা অপপ্রচারে তার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে জানা তিনি।
অপপ্রচারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুকু আরও বলেন, ভাটোপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ দখল করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, আমার পিতা মৃত জসিম উদ্দিনের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রেমতলী জসীমউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসাটির জমি আমাদের দান করায় স্থানীয় জনগণ আমাদেরকে ভালোবেসে পরিচালনা কমিটিতে রেখেছে সেই কমিটির বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কোন অভিযোগ থাকলে তার অবশ্যই আমাদের জানাতো, তাছাড়া এই মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যাচার। এখানে নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রেমতলী সুখ বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে আমাকে নিয়ম-কানুন মেনেই করেছে, তাও এই কমিটি সাম্প্রতিক সময়ে হয়েছে। বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ায় অবস্থান করা শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথারীতি আনইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তিনি স্বেচ্ছায় ইস্তেফা প্রদান করে, এই কাজগুলো করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমি এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত না। এছাড়া ৮/১০ লক্ষ টাকা ফান্ডের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, এই প্রতিষ্ঠানে এমন কোন বিশেষ ফান্ড আসেনি যা আমি আত্মসাৎ করবো।
প্রেমতলী ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের সাথে আমি সম্পৃক্ত না সেখানকার প্রিন্সিপালকে পুনরায় ফিরিয়ে নিয়ে আনার আমি কোন অধিকার রাখিনা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান ‘গৌরাঙ্গ বাড়ি’-র সম্পত্তি নিয়ে আমার নামে অভিযোগ আনা হয়েছে, এই সম্পত্তি ট্রাস্টি বোর্ডের আওতাধীন এই সম্পত্তি আমি কিভাবে দখল করবো? বলে জানান টুকু।
তিনি আরও বলেন, বালুমহল ও মসজিদের টাকা নিয়ে আমার নামে মিথ্যাচার করা হয়েছে, মসজিদের টাকার হিসাব নিকাশ মসজিদ কমিটিই সঠিকভাবে দিতে পারবে আমি মসজিদের টাকা নিজের কাছে রাখিনি। প্রয়োজনে আপনারা মসজিদ কমিটির সাথে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন।
এছাড়াও এলাকায় মব সৃষ্টির অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেন এটা সরাসরি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার। আমি এমন কোন কর্মকান্ড করলে স্থানীয় লোকজন জানতো। আমি শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবীত হয়েই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। সম্প্রতি সময়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর ও তাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির কিছু নেতা ১৫ লক্ষ টাকায় লিজ নিতে চেয়েছিলো আমি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ২৬ লক্ষ টাকায় লিজ প্রদান করি একারনেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আমার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সেই সাথে প্রয়োজনীয় আইনহত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো, বলে জানান এহসানুল কবির টুকু।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল★ টেলিফোন:+8809638126318, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : কাজী মোস্তফা রুমি ★ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রেজা★বার্তা সম্পাদক: আসাদুজ্জামান লিয়ন, বিজ্ঞাপন সম্পাদিকা: মিসেস চামেলী আক্তার★
ই-পেপার