মাছুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি পদে চার লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্যর মাধ্যমে চাকরিতে যোগদান
মোঃইয়াছিন আলী ক্রাইম রিপোর্টার সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের মাছুয়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মঞ্জুরুল আলমের চার লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্যর মাধ্যমে চাকরিতে যোগদান ও স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ একটি আলমারি যার কালার পরিবর্তন করে বাড়িতে ব্যবহার করছে।
এ বিষয়ে দপ্তরী মঞ্জুরুল আলমের পিতা সেরাজ মিস্ত্রি (মুদি) শেখ,একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান, আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে ৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমার ছেলেকে দপ্তরির চাকরি নিয়ে দিয়েছি তিনি আরো বলেন আমি আওয়ামীলীগ করি আমার ছেলেও আওয়ামীলীগ করে আর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা হায়দার আলী মন্ডল ও উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজউদ্দিন এবং আমাদের এমপি মুন্না সাহেব টাকা নিয়ে আমার ছেলেকে চাকরি দেবে বলে নানা তালবাহানা করে এক পর্যায়ে প্রীতিলতা স্কুলে শিক্ষকের চাকরি দেওয়ার কথাও হয়েছিল। এরই মধ্যে একদিন রাত ১২ টার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান ফোন করে বলেন, মঞ্জুরুল শিবির করে তাই চাকরি হবে না আমি কোন উপায় না পেয়ে রিয়াজউদ্দিনের বাসায় গেলাম মনজুরুল কে সাথে নিয়ে। কিছু সময় পর বহুলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা হায়দার আলী মন্ডল ও সাথে কয়েকজন নেতা উপস্থিত হয় তখন রিয়াজউদ্দিন হায়দার আলীকে প্রশ্ন করেন হায়দার-মুদি সেখ কে চেনো- হায়দার বললো হ্যাঁ চিনি আমার জন্মের পর থেকে দেখে আসছি উনি আওয়ামী লীগ করে এবং উনার ছেলেও আওয়ামীলীগ করে। তখন আমি রিয়াজ উদ্দিনকে বলে আসি আমার ছেলের চাকরি না হলে হায়দারের লাশ পাবেন। এবং হায়দারকে বলি আমার ছেলের চাকরি না হলে খাগা গ্রাম থেকে ভালো করে খেয়ে দেয়ে তারপর বের হইস-কেননা জীবনে আর খাইতে পারবি না তোর লাশ পড়ে থাকবে। তবে মন্জুরুলের চাকরির বিষয়ে আমাদের স্কুলের হেড ম্যাডাম
( শিউলি রানী) অনেক ভাবে সহযোগিতা করেছেন।
এলাকা সূত্রে জানা যায়,সেরাজ মিস্ত্রি (মুদি) সেখ ও মুদির ছেলে মঞ্জুরুল দুজনই আওয়ামী লীগ করে।
যার কারণে ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনার আমলে মাছুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে-মাছুয়াকান্দি গ্রামের মুদির ছেলে মঞ্জুরুলের চার লক্ষ টাকার বিনিময়ে দপ্তরির চাকুরী হয়েছে। আরো জানা যায় উক্ত স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ একটি আলমারি কালার পরিবর্তন করে নিজ বাড়িতে ব্যবহার করতেছেন।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা,শিউলি রানী (বর্তমান খোকশাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত) দাঁয় এড়িয়ে বলেন,
দপ্তরি মঞ্জুরুলের বাবার অনেক জায়গায় পরিচিতি আছে, সম্ভবত এই চাকরিটা এভাবেই হয়েছে, এবং স্কুলের আলমারির বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। তবে শিউলি ম্যাডামের স্বামী আশুতোষ কুমার (বাংলা প্রভাষক বাহুকা কলেজ) বলেন আপনারা তাকে বিরক্ত করছেন কেন শিক্ষা অফিস থেকে বলে দেওয়া আছে স্কুল থেকে কোন তথ্য সংগ্রহ করা যাবে না আপনারা যদি আবার তথ্য সংগ্রহ করতে আসেন তাহলে সবাইকে বলবো আপনারা চাঁদা চেয়েছেন,
এই বলে সাংবাদিকদের হুমকি দেন।
এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফজলুর রহমান বলেন,আপনারা তথ্য প্রমান দিলে আমি এর সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল★ টেলিফোন:+8809638126318, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : কাজী মোস্তফা রুমি ★ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রেজা★বার্তা সম্পাদক: আসাদুজ্জামান লিয়ন, বিজ্ঞাপন সম্পাদিকা: মিসেস চামেলী আক্তার★
ই-পেপার