Dhaka 4:32 pm, Wednesday, 22 April 2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রায় ২ মাসে উল্লেখযোগ্য ৬০প্রক্লপে বিশ্বসেরা স্বীকৃতি অর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল:-দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র দুই মাসে ৬০টি উল্লেখযোগ্য ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি পেয়েছে এবং তিনি বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ সাময়িকীর প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ১৮০ দিনের যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তার প্রথম দুই মাসেই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের পুনরুত্থান ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো-

১. ফ্যামিলি কার্ড: নারীর ক্ষমতায়নে ৩৭ হাজার ৫৬৭ পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তার কার্ড দেওয়া।
২. কৃষক কার্ড: প্রান্তিক কৃষকদের ১০টি সুবিধা সংবলিত কার্ড বিতরণ শুরু।

৩. ঋণ মওকুফ: ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ।
৪. সংসদীয় গণতন্ত্র: রেকর্ড সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি এবং গুম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান।
৫. নদী খনন: ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও জলাশয় খননের কাজ শুরু।
৬. জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ: বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও দেশে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ভর্তুকি বৃদ্ধি।
৭. সৌরশক্তি: জাতীয় গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াটের লক্ষ্য।
৮. ফুয়েল কার্ড: জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ফুয়েল কার্ডের পাইলটিং শুরু।
৯. দ্রব্যমূল্য: প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রমজান ও পরবর্তী সময়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।
১০. ধর্মীয় সম্প্রীতি: ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী দেওয়া এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ।
১১. জাকাত আধুনিকায়ন: দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থার বৈজ্ঞানিক আধুনিকায়ন।
১২. প্রবাসী কার্ড: প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কার্ড চালুর উদ্যোগ।
১৩. হজ খরচ হ্রাস: হজযাত্রার খরচ ১২ হাজার টাকা কমানো ও নুসুক হজ কার্ড দেওয়া।
১৪. নিয়োগ পরিকল্পনা: সরকারি অফিসের ৪ লাখ ৬৮ হাজার শূন্যপদ পূরণে ৩ মেয়াদি পরিকল্পনা।

১৫. বন্ধ কারখানা: চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ।
১৬. ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেম: হাই-টেক পার্ক ও ইপিজেডে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি।
১৭. ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।
১৮. জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা: ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে উন্নীত করার কৌশল।
১৯. বিদেশি বিনিয়োগ: বিনিয়োগ সহজীকরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা শিথিল।
২০. শ্রমিক অধিকার: মালিক-শ্রমিক সমন্বয়ে ঈদুল ফিতরে শতভাগ বেতন-বোনাস নিশ্চিতকরণ।
২১. মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু।
২২. ইউরোপে শ্রমবাজার: সার্বিয়া, গ্রিস ও রোমানিয়াসহ ৭টি দেশের সঙ্গে শ্রম চুক্তি।
২৩. দক্ষতা বৃদ্ধি: বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে টিটিসি ও কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন।
২৪. উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন: উত্তরবঙ্গকে ‘অ্যাগ্রো প্রসেসিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ।
২৫. পে-পাল: বাংলাদেশে পে-পাল ও গ্লোবাল পেমেন্ট গেটওয়ে আনার কাজ শুরু।
২৬. স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ: ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা, যেখানে ৮০ শতাংশই নারী।
২৭. ই-হেলথ কার্ড: ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ড ও হাসপাতালের নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
২৮. শিক্ষা ফি বাতিল: প্রতিবছর পুনরায় ভর্তি ফি নেওয়া বাতিল ও বৃত্তি দ্বিগুণ করা।
২৯. উচ্চশিক্ষায় ঋণ: বিদেশে পড়তে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।
৩০. শিক্ষক নিয়োগ: মাদরাসাসহ বিভিন্ন স্তরে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ।
৩১. বাধ্যতামূলক খেলাধুলা: চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক ও নতুন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ।
৩২. নতুন কুঁড়ি: শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণে আবারও ‘নতুন কুঁড়ি’র যাত্রা শুরু।

৩৩. স্কুল কিট: ২ লাখ শিশুর মাঝে ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ বিতরণ এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’।
৩৪. মাদরাসা আধুনিকায়ন: মাদরাসায় স্মার্ট ক্লাসরুম ও কারিগরি কোর্স চালু।
৩৫. স্পোর্টস কার্ড: ক্রীড়াবিদদের জন্য স্পোর্টস কার্ড ও মাসিক ভাতা চালুর উদ্যোগ।
৩৬. সবুজ বনায়ন: ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু।
৩৭. মিতব্যয়িতা: যমুনার বদলে প্রধানমন্ত্রীর নিজের বাড়িতে অবস্থান ও নিজের গাড়ি ব্যবহার।
৩৮. প্রটোকল সংস্কার: ট্রাফিক জট এড়াতে ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিতকরণ ও শনিবারও অফিস।
৩৯. ডিজিটাল ভূমি সেবা: ই-নামজারি ও অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর বাধ্যতামূলক করা।
৪০. পদ্মা ব্যারেজ: উত্তরবঙ্গকে মরুকরণ থেকে বাঁচাতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ।
৪১. মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি বাতিল: এমপি-মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।
৪২. পাটের ব্যবহার: সরকারি-বেসরকারি খাতে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলককরণ।
৪৩. ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার।
৪৪. টিকাদান কর্মসূচি: বন্ধ থাকা হামের টিকা পুনরায় সারাদেশে চালু।
৪৫. চাঁদাবাজিবিরোধী অভিযান: চাঁদাবাজি বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশের সংস্কার।
৪৬. ইলেকট্রিক বাস: ঢাকায় পরিবেশবান্ধব বাস ও নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ সার্ভিস।
৪৭. নদী রক্ষা আইন: নদী দখলকারীদের ৫ বছরের জেল ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান।
৪৮. জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি অফিসে এসি ও লাইট ব্যবহারে কঠোর ১১ নির্দেশনা।
৪৯. মেধাভিত্তিক নিয়োগ: এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ।
৫০. জ্বালানি নিরাপত্তা: ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ।
৫১. ফুটপাত পুনর্বাসন: ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সুশৃঙ্খলভাবে পুনর্বাসনের কাজ।
৫২. বাকস্বাধীনতা: প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনার পরও কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া।
৫৩. থার্ড টার্মিনাল: শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর পদক্ষেপ।
৫৪. ফ্রি ইন্টারনেট: দেশের বড় সব বিমানবন্দরে যাত্রীসেবায় ফ্রি ওয়াই-ফাই।

৫৫. ট্রেনে ইন্টারনেট: চলন্ত ট্রেন ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ।
৫৬. অর্থনৈতিক কূটনীতি: বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি ও বিনিয়োগ আকর্ষণকে দূতাবাসের অগ্রাধিকার।
৫৭. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: প্রতিবেশী ও বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে পানি ও সীমান্ত সমস্যা সমাধানে জোর।
৫৮. অর্থ পাচার রোধ: ১০টি দেশের সঙ্গে পাচারকৃত অর্থ শনাক্ত ও ফেরত আনার চুক্তি।
৫৯. উপকূল রক্ষা: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
৬০. মানবাধিকার রক্ষা: গত দুই মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো নজির না থাকা ও আইনি সুরক্ষা।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণ রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই সক্ষম হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ পূত্রবধু জিঙ্গাসাবাদে হেফাজতে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রায় ২ মাসে উল্লেখযোগ্য ৬০প্রক্লপে বিশ্বসেরা স্বীকৃতি অর্জন

Update Time : 03:05:18 pm, Sunday, 19 April 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল:-দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র দুই মাসে ৬০টি উল্লেখযোগ্য ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি পেয়েছে এবং তিনি বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ সাময়িকীর প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ১৮০ দিনের যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তার প্রথম দুই মাসেই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের পুনরুত্থান ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো-

১. ফ্যামিলি কার্ড: নারীর ক্ষমতায়নে ৩৭ হাজার ৫৬৭ পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তার কার্ড দেওয়া।
২. কৃষক কার্ড: প্রান্তিক কৃষকদের ১০টি সুবিধা সংবলিত কার্ড বিতরণ শুরু।

৩. ঋণ মওকুফ: ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ।
৪. সংসদীয় গণতন্ত্র: রেকর্ড সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি এবং গুম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান।
৫. নদী খনন: ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও জলাশয় খননের কাজ শুরু।
৬. জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ: বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও দেশে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ভর্তুকি বৃদ্ধি।
৭. সৌরশক্তি: জাতীয় গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াটের লক্ষ্য।
৮. ফুয়েল কার্ড: জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ফুয়েল কার্ডের পাইলটিং শুরু।
৯. দ্রব্যমূল্য: প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রমজান ও পরবর্তী সময়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।
১০. ধর্মীয় সম্প্রীতি: ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী দেওয়া এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ।
১১. জাকাত আধুনিকায়ন: দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থার বৈজ্ঞানিক আধুনিকায়ন।
১২. প্রবাসী কার্ড: প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কার্ড চালুর উদ্যোগ।
১৩. হজ খরচ হ্রাস: হজযাত্রার খরচ ১২ হাজার টাকা কমানো ও নুসুক হজ কার্ড দেওয়া।
১৪. নিয়োগ পরিকল্পনা: সরকারি অফিসের ৪ লাখ ৬৮ হাজার শূন্যপদ পূরণে ৩ মেয়াদি পরিকল্পনা।

১৫. বন্ধ কারখানা: চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ।
১৬. ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেম: হাই-টেক পার্ক ও ইপিজেডে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি।
১৭. ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।
১৮. জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা: ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে উন্নীত করার কৌশল।
১৯. বিদেশি বিনিয়োগ: বিনিয়োগ সহজীকরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা শিথিল।
২০. শ্রমিক অধিকার: মালিক-শ্রমিক সমন্বয়ে ঈদুল ফিতরে শতভাগ বেতন-বোনাস নিশ্চিতকরণ।
২১. মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু।
২২. ইউরোপে শ্রমবাজার: সার্বিয়া, গ্রিস ও রোমানিয়াসহ ৭টি দেশের সঙ্গে শ্রম চুক্তি।
২৩. দক্ষতা বৃদ্ধি: বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে টিটিসি ও কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন।
২৪. উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন: উত্তরবঙ্গকে ‘অ্যাগ্রো প্রসেসিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ।
২৫. পে-পাল: বাংলাদেশে পে-পাল ও গ্লোবাল পেমেন্ট গেটওয়ে আনার কাজ শুরু।
২৬. স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ: ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা, যেখানে ৮০ শতাংশই নারী।
২৭. ই-হেলথ কার্ড: ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ড ও হাসপাতালের নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
২৮. শিক্ষা ফি বাতিল: প্রতিবছর পুনরায় ভর্তি ফি নেওয়া বাতিল ও বৃত্তি দ্বিগুণ করা।
২৯. উচ্চশিক্ষায় ঋণ: বিদেশে পড়তে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।
৩০. শিক্ষক নিয়োগ: মাদরাসাসহ বিভিন্ন স্তরে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ।
৩১. বাধ্যতামূলক খেলাধুলা: চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক ও নতুন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ।
৩২. নতুন কুঁড়ি: শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণে আবারও ‘নতুন কুঁড়ি’র যাত্রা শুরু।

৩৩. স্কুল কিট: ২ লাখ শিশুর মাঝে ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ বিতরণ এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’।
৩৪. মাদরাসা আধুনিকায়ন: মাদরাসায় স্মার্ট ক্লাসরুম ও কারিগরি কোর্স চালু।
৩৫. স্পোর্টস কার্ড: ক্রীড়াবিদদের জন্য স্পোর্টস কার্ড ও মাসিক ভাতা চালুর উদ্যোগ।
৩৬. সবুজ বনায়ন: ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু।
৩৭. মিতব্যয়িতা: যমুনার বদলে প্রধানমন্ত্রীর নিজের বাড়িতে অবস্থান ও নিজের গাড়ি ব্যবহার।
৩৮. প্রটোকল সংস্কার: ট্রাফিক জট এড়াতে ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিতকরণ ও শনিবারও অফিস।
৩৯. ডিজিটাল ভূমি সেবা: ই-নামজারি ও অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর বাধ্যতামূলক করা।
৪০. পদ্মা ব্যারেজ: উত্তরবঙ্গকে মরুকরণ থেকে বাঁচাতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ।
৪১. মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি বাতিল: এমপি-মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।
৪২. পাটের ব্যবহার: সরকারি-বেসরকারি খাতে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলককরণ।
৪৩. ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার।
৪৪. টিকাদান কর্মসূচি: বন্ধ থাকা হামের টিকা পুনরায় সারাদেশে চালু।
৪৫. চাঁদাবাজিবিরোধী অভিযান: চাঁদাবাজি বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশের সংস্কার।
৪৬. ইলেকট্রিক বাস: ঢাকায় পরিবেশবান্ধব বাস ও নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ সার্ভিস।
৪৭. নদী রক্ষা আইন: নদী দখলকারীদের ৫ বছরের জেল ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান।
৪৮. জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি অফিসে এসি ও লাইট ব্যবহারে কঠোর ১১ নির্দেশনা।
৪৯. মেধাভিত্তিক নিয়োগ: এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ।
৫০. জ্বালানি নিরাপত্তা: ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ।
৫১. ফুটপাত পুনর্বাসন: ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সুশৃঙ্খলভাবে পুনর্বাসনের কাজ।
৫২. বাকস্বাধীনতা: প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনার পরও কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া।
৫৩. থার্ড টার্মিনাল: শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর পদক্ষেপ।
৫৪. ফ্রি ইন্টারনেট: দেশের বড় সব বিমানবন্দরে যাত্রীসেবায় ফ্রি ওয়াই-ফাই।

৫৫. ট্রেনে ইন্টারনেট: চলন্ত ট্রেন ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ।
৫৬. অর্থনৈতিক কূটনীতি: বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি ও বিনিয়োগ আকর্ষণকে দূতাবাসের অগ্রাধিকার।
৫৭. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: প্রতিবেশী ও বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে পানি ও সীমান্ত সমস্যা সমাধানে জোর।
৫৮. অর্থ পাচার রোধ: ১০টি দেশের সঙ্গে পাচারকৃত অর্থ শনাক্ত ও ফেরত আনার চুক্তি।
৫৯. উপকূল রক্ষা: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
৬০. মানবাধিকার রক্ষা: গত দুই মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো নজির না থাকা ও আইনি সুরক্ষা।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণ রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই সক্ষম হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।