
বিন প্রার্থীব বলেন,কলেজের সামনে ছাত্রদলের পূর্বনির্ধারিত অবস্থান কর্মসূচী চলাকালে ছাত্রশিবির মিছিল নিয়ে সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমে ইটপাটকেল ও পরে গুলিবর্ষণ করে। এক পর্যায়ে তারা ছাত্রদলের অফিস ভাংচুর করে। তিনি বলেন, ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা কলেজে বিক্ষোভ করবে এতে আমাদের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আমরা কলেজে কোন প্রকার নৈরাজ্য সহ্য করবো না।
ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমজাদ হোসেন বলেন, কলেজে ছাত্রদের নানা কর্মসূচী থাকবে এটা স্বাভাবিক। ছাত্রদলের মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী ও ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ কর্মসূচীর জন্য আমার কাছে তারা অনুমতি চেয়েছে। তবে কলেজে ইনকোর্স পরীক্ষা চলছে বিধায় তাদের দুপুর ১২ টায় কর্মসূচীর সময় দেওয়া হয়। বহিরাগতদের উপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রদের রাজনৈতিক কর্মসূচীতে বহিরাগত থাকেই। এসব কর্মসূচীর সময় স্টুডেন্ট আইডি দেখে শনাক্ত করা সম্ভব নয়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। বহিরাগতদের প্রবেশে শতভাগ নিষিধাজ্ঞা নিশ্চিত করব। একই সাথে কলেজে চলমান পরীক্ষা যথাযথ ভাবে চলবে। আমরা আপাতত কলেজে কোনো ধরনের কর্মসূচী করতে দেব না। এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, যদি কোন মামলা দায়ের করা হয় তাহলে আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করাবো।
Reporter Name 


















