
কাজী মোস্তফা রুমি: নাগরপুরের কাঠুরী জামে মসজিদ উন্নয়নকল্পে যুব সমাজের উদ্যোগে দ্বিতীয় বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ফেব্রুয়ারি’২৫ রোজ মঙ্গলবার কাঠুরি ঈদগাহ মাঠে কাঠুরি জামে মসজিদ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ ফরহাদ হোসেন ডেভিড এর সভাপতিত্বে কাঠুরি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদের পরিচালনায় উক্ত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলংকৃত করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী মেধাবী নেতৃত্ব, ধুবড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী জননেতা মো: শামীম চৌধুরী (বাবু চৌধুরী)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- বর্তমান সময়ে আমরা মুসলমানের চরিত্র থেকে কেন জানি আমরা বাহিরে চলে যাচ্ছি। আমি অনেক দেশে যাই। অনেক দেশে গিয়ে অনেক মানুষের সাথে আমার মেশার সৌভাগ্য হয়েছে। তারা আসলে মুসলমান না। কিন্তু তাদের চরিত্র আখলাক দেখলে মনে হয় তারা মুসলমান।
মুসলমানের চরিত্রে মুসলমানের আখলাকটা থাকা উচিত। তাদের মধ্যে সবই আছে, শুধু নবীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নেই। তারা নামাজ রোজা পড়ে না।
মুসলমানের যে আখলাক তা অনেকের মধ্যেই নাই। উনারা যথেষ্ট চেষ্টা করছেন মুসলমানের মধ্যে যেন আখলাক ফিরে আসে।
আমাদের যুব সমাজ নেশাগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদেরকে কন্ট্রোল করতে পারছি না। এটা যুব সমাজের দোষ না এটা আমাদের দোষ।
৫ আগস্ট আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছি। কেমন স্বাধীন করেছি এই যে,আমরা মাহফিল করছি। ৫ আগস্টের পূর্বে আমরা এই মাহফিল করতে পারতাম না। মাহফিল করলে আমাদেরকে জঙ্গি তকমা লাগানো হতো। মুসলমান ধর্ম প্রচার করবে, ধর্ম নিয়ে আলোচনা করবে আর তাকে জঙ্গি খেতাব দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে এর থেকে মুক্ত করেছেন। কিন্তু আমরা চক্রান্তের বাইরে যাইনি। দেশ এবং বিদেশের কিছু লোক আমাদের কে দেশ নিয়ে চক্রান্ত করছে এগুলো আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
উক্ত ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন সুদামপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ ক্বারী আতিকুর রহমান।
উক্ত ওয়াজ মাহফিলে স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লী স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন।
কাজী মোস্তফা রুমি: 



















