
কাজী মোস্তফা রুমি: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারাবন্দি দিবস আজ শুক্রবার। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ কোনো ধরনের মামলা ছাড়া সেনা সমর্থিত মইনউদ্দিন ও ফখরুদ্দীনের ওয়ান-ইলেভেনের সরকার জরুরি বিধিমালায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারাবন্দী দিবস উপলক্ষ্যে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আপষহীন মনোভাবের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম জানিয়েছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা রাজপথের লড়াকু সৈনিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি, শহীদ শামসুজ্জোহা হল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক।
এ বিষয় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন- আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর অব্যাহত ষড়যন্ত্রের মুখে ২০০৬ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশে সংঘটিত হয় রাজনৈতিক সংঘাত। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ওয়ান ইলেভেন সরকারের উদ্ভব ঘটে। মূলত: দেশপ্রেমিক জিয়া পরিবারকে দেশের রাজনীতি থেকে উৎখাত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তখনই।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে বন্দি করা হয়, যা ছিল সামগ্রিকভাবে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির যে স্বপ্ন রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, সেই স্বপ্নকে সেদিন বন্দি করা। পরবর্তীতে তার নামে ১৩টি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করার পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনও দেয়া হয়। তাকে ছয় দফায় ১৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক নির্যাতনও করা হয়। তার ওপর দেশ ও রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার চাপ প্রয়োগ করা হয়।তবে দেশ ও দেশের জনগণের কথা ভেবে কুশীলবদের কোনো প্রস্তাবেই রাজি হননি তিনি।
উদীয়মান সূর্যকে যেমন দাবিয়ে রাখার সম্ভব নয়, ঠিক তেমনি কোটি জনতার প্রাণের স্পন্দন তারেক রহমানকেও বন্দিশালায় আবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। তাই আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত আলোকিত বাংলাদেশ কোটি কোটি জনতা অধীর আগ্রহে তার দেশে আগমনের অপেক্ষার প্রহর গুনছে।
তাই আজকের এই বিশেষ দিনে তার এই আপষহীন মনোভাবের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা এবং বিপ্লবী সালাম জানাই। তার এই আপোষহীন মনোভাব থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।

কাজী মোস্তফা রুমি: 



















