Dhaka 11:23 pm, Tuesday, 21 April 2026

চাল আমদানির শেষ সময়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২৫৯ মেট্রিক টন আমদানি

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:49:13 pm, Tuesday, 21 April 2026
  • 16 Time View

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :

চাল আমদানির সরকার ঘোষিত বর্ধিত সময় শেষ| দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে সরকার ঘোষিত মেয়াদ বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন দিনে ৬টি চালানে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে| আমদানি করা চালের এসব চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে|

গত ১১ মার্চ থেকে সোমবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র ৩ কার্য দিবসে এ সমস্ত চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে| ৬টি চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো| তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন|

এ সমস্ত চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ এবং লাইবা ওভারসিস নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান| আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করণের জন্য কাজ করেছেন মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল|

বন্দর সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত চাল আমদানির পরিমান অনেক কমে যাওয়ায় এবং দেশের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারনে সরকার পুনরায় চাল আমদানি সময় বৃদ্ধি করনের জন্য গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অর্থ্যাৎ ৪০ দিন মেয়াদ বাড়ায়| এর মধ্যে মাত্র ৩দিনে ৬টি চালানের মাধ্যমে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে| এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন| ওই সময় গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার| যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত| এই সময়ের মধ্যে চাল আমদানি ফলপ্রসূ না হওয়ায় পুনরায় ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল ৪০ দিন সময় বৃদ্ধি করে| এবারও চাল আমদানিতে বিপর্যয় দেখা দেয়| যে সময়সীমা সোমবার শেষ হয়ে গেছে| সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে আর সময় বৃদ্ধির কোন পরিপত্র জারি করা হয়নি|

যশোরের নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন জানান, বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি| আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা| খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি|

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪০দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৬ চালানে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করেছে| আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে ইতোমধ্যে খালাস নেওয়া হয়েছে|

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চাল আমদানির শেষ সময়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২৫৯ মেট্রিক টন আমদানি

চাল আমদানির শেষ সময়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২৫৯ মেট্রিক টন আমদানি

Update Time : 09:49:13 pm, Tuesday, 21 April 2026

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :

চাল আমদানির সরকার ঘোষিত বর্ধিত সময় শেষ| দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে সরকার ঘোষিত মেয়াদ বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন দিনে ৬টি চালানে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে| আমদানি করা চালের এসব চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে|

গত ১১ মার্চ থেকে সোমবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র ৩ কার্য দিবসে এ সমস্ত চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে| ৬টি চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো| তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন|

এ সমস্ত চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ এবং লাইবা ওভারসিস নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান| আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করণের জন্য কাজ করেছেন মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল|

বন্দর সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত চাল আমদানির পরিমান অনেক কমে যাওয়ায় এবং দেশের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারনে সরকার পুনরায় চাল আমদানি সময় বৃদ্ধি করনের জন্য গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অর্থ্যাৎ ৪০ দিন মেয়াদ বাড়ায়| এর মধ্যে মাত্র ৩দিনে ৬টি চালানের মাধ্যমে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে| এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন| ওই সময় গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার| যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত| এই সময়ের মধ্যে চাল আমদানি ফলপ্রসূ না হওয়ায় পুনরায় ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল ৪০ দিন সময় বৃদ্ধি করে| এবারও চাল আমদানিতে বিপর্যয় দেখা দেয়| যে সময়সীমা সোমবার শেষ হয়ে গেছে| সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে আর সময় বৃদ্ধির কোন পরিপত্র জারি করা হয়নি|

যশোরের নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন জানান, বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি| আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা| খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি|

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪০দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৬ চালানে প্রায় এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করেছে| আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে ইতোমধ্যে খালাস নেওয়া হয়েছে|