Dhaka 6:14 pm, Wednesday, 22 April 2026

বিয়ের দাবিতে ৫ দিন ধরে জামায়াত নেতার বাড়িতে অনশন

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:05:12 pm, Sunday, 5 April 2026
  • 6 Time View

আব্দুস সামাদ,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিয়ের দাবিতে পাঁচদিন ধরে এক নারী জমায়াত নেতা ও কলেজ শিক্ষক ফেরদৌস হোসেনে বাড়িতে অনশন করছেন এক নারী।

রোববার (০৫ এপ্রিল) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাজীর বাড়িতে গিয়ে ওই নারী ঘরের দরজা বন্ধ করে বিয়ের জন্য অবস্থান করছেন।

এর আগে গত ৫ দিন পুর্বে ফেরদৌস হোসেন কাজীর বাড়িতে ওঠেন ওই নারী। এ খবর জানার পর ফেরদৌস হোসেন বাড়ি থেকে শটকে পড়ে।

ফেরদৌস হোসেন ফকিরপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদের কাজী এবং জামায়াত নেতা ও হাতীবান্ধা ভবানীপুর ছেফাতিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ।

জানা গেছে, ফেরদৌস হোসেন কাজী এক বছর পূর্বে ওই নারীর সাবিনা ইয়াসমিন নূপুর কে নিজ এলাকায় সাফিউল ইসলাম এর সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকে ফেরদৌস হোসেন কাজী ও নুপুরের মধ্যে একটি সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানার পর শাফিউল ইসলাম স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দিলে। ওই নারী কাজী ফেরদৌস হোসেনের বাড়িতে ওঠেন। এরপর ওই ফেরদৌস হোসেন
রাতে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে
একাধিক বার মেলামেশা করেন। এরপর তাকে নিয়ে উপজেলা সদরে নিয়ে গিয়ে তাকে রেখে ফেরদৌস হোসেন পালিয়ে যায়। পরে সাবিনা ইয়াসমিন নুপুর নিরুপায় হয়ে কাজী ফেরদৌস হোসেনের বড়খাতা মিলন বাজার বাড়িতে বিয়ের দাবীতে ৫ দিন ধরে অবস্থান করেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ফেরদৌস হোসেন কাজী আমাকে রংপুর থেকে নিয়ে এসে সাফিউলের সাথে বিয়ে দেন। এরপর থেকে ফেরদৌস হোসেন মোবাইল ফোনে বিভিন্নভাবে প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি আমার স্বামী জানতে পেরে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলে আমি ফেরদৌসের বাড়িতে আসি। রাতে সে বিয়ের প্রলোভনে সে আমার সঙ্গে কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। এখন আমার সব শেষ করে দিয়েছে আমার কোথাও জায়গা নেই আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।

ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীকে ফাঁসানোর জন্য এই নারী বাড়িতে উঠেছে। আমার স্বামী নির্দোষ।

এ ঘটনায় ফেরদৌস হোসেন কাজী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি নির্দোষ এবং ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে এই মর্মে তার নিজস্ব ফেসবুকে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলীর বলেন,আমি দুদিন ধরে ছুটিতে আছি। যারা দায়িত্বে আছে তারা বিষয়টি দেখবেন। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ পূত্রবধু জিঙ্গাসাবাদে হেফাজতে

বিয়ের দাবিতে ৫ দিন ধরে জামায়াত নেতার বাড়িতে অনশন

Update Time : 08:05:12 pm, Sunday, 5 April 2026

আব্দুস সামাদ,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিয়ের দাবিতে পাঁচদিন ধরে এক নারী জমায়াত নেতা ও কলেজ শিক্ষক ফেরদৌস হোসেনে বাড়িতে অনশন করছেন এক নারী।

রোববার (০৫ এপ্রিল) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাজীর বাড়িতে গিয়ে ওই নারী ঘরের দরজা বন্ধ করে বিয়ের জন্য অবস্থান করছেন।

এর আগে গত ৫ দিন পুর্বে ফেরদৌস হোসেন কাজীর বাড়িতে ওঠেন ওই নারী। এ খবর জানার পর ফেরদৌস হোসেন বাড়ি থেকে শটকে পড়ে।

ফেরদৌস হোসেন ফকিরপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদের কাজী এবং জামায়াত নেতা ও হাতীবান্ধা ভবানীপুর ছেফাতিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ।

জানা গেছে, ফেরদৌস হোসেন কাজী এক বছর পূর্বে ওই নারীর সাবিনা ইয়াসমিন নূপুর কে নিজ এলাকায় সাফিউল ইসলাম এর সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকে ফেরদৌস হোসেন কাজী ও নুপুরের মধ্যে একটি সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানার পর শাফিউল ইসলাম স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দিলে। ওই নারী কাজী ফেরদৌস হোসেনের বাড়িতে ওঠেন। এরপর ওই ফেরদৌস হোসেন
রাতে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে
একাধিক বার মেলামেশা করেন। এরপর তাকে নিয়ে উপজেলা সদরে নিয়ে গিয়ে তাকে রেখে ফেরদৌস হোসেন পালিয়ে যায়। পরে সাবিনা ইয়াসমিন নুপুর নিরুপায় হয়ে কাজী ফেরদৌস হোসেনের বড়খাতা মিলন বাজার বাড়িতে বিয়ের দাবীতে ৫ দিন ধরে অবস্থান করেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ফেরদৌস হোসেন কাজী আমাকে রংপুর থেকে নিয়ে এসে সাফিউলের সাথে বিয়ে দেন। এরপর থেকে ফেরদৌস হোসেন মোবাইল ফোনে বিভিন্নভাবে প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি আমার স্বামী জানতে পেরে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলে আমি ফেরদৌসের বাড়িতে আসি। রাতে সে বিয়ের প্রলোভনে সে আমার সঙ্গে কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। এখন আমার সব শেষ করে দিয়েছে আমার কোথাও জায়গা নেই আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।

ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীকে ফাঁসানোর জন্য এই নারী বাড়িতে উঠেছে। আমার স্বামী নির্দোষ।

এ ঘটনায় ফেরদৌস হোসেন কাজী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি নির্দোষ এবং ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে এই মর্মে তার নিজস্ব ফেসবুকে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলীর বলেন,আমি দুদিন ধরে ছুটিতে আছি। যারা দায়িত্বে আছে তারা বিষয়টি দেখবেন।