Dhaka 1:41 pm, Wednesday, 22 April 2026

রাজনীতি কি চাঁদাবাজির লাইসেন্স-?জনমনে বাড়ছে আস্থাহীনতা

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ জাহিদ হোসেন
রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যদি চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বৈধতা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা হারানো অবশ্যম্ভাবী—এমনই মত প্রকাশ করছেন সচেতন নাগরিকরা।
দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ উঠছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এতে একদিকে যেমন সুশাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে হতাশা ও ক্ষোভ।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনীতি মূলত জনগণের সেবা ও কল্যাণের জন্য। কিন্তু যখন কিছু ব্যক্তি এই প্ল্যাটফর্মকে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
সাধারণ মানুষের ভাষ্য,
“যদি রাজনৈতিক দল করলেই কেউ চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা সেই নেতাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবো।”
আইন অনুযায়ী, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সুশাসন ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক দলের ভেতরেই শুদ্ধি অভিযান চালানো এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শেষে:
মো: জাহিদ হাসান
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পাঁচবিবিতে পানি নিস্কাশনের নালা পথ বন্ধ করে বাড়ী নির্মাণের অভিযোগ

রাজনীতি কি চাঁদাবাজির লাইসেন্স-?জনমনে বাড়ছে আস্থাহীনতা

Update Time : 04:19:59 pm, Tuesday, 7 April 2026

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ জাহিদ হোসেন
রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যদি চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বৈধতা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা হারানো অবশ্যম্ভাবী—এমনই মত প্রকাশ করছেন সচেতন নাগরিকরা।
দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ উঠছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এতে একদিকে যেমন সুশাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে হতাশা ও ক্ষোভ।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনীতি মূলত জনগণের সেবা ও কল্যাণের জন্য। কিন্তু যখন কিছু ব্যক্তি এই প্ল্যাটফর্মকে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
সাধারণ মানুষের ভাষ্য,
“যদি রাজনৈতিক দল করলেই কেউ চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা সেই নেতাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবো।”
আইন অনুযায়ী, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সুশাসন ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক দলের ভেতরেই শুদ্ধি অভিযান চালানো এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শেষে:
মো: জাহিদ হাসান
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী