Dhaka 7:04 pm, Sunday, 28 June 2026

নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে,রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,ও মহাসড়ক অবরোধ

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা- রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সমবেত হওয়া শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা অবরোধ তুলে নেন।
বিক্ষোভকারীরা হামলায় জড়িতদের শাস্তি এবং সাবেক বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তারা ‘চব্বিশের বাংলায়, জাতীয় পার্টির ঠাঁই নাই’, ‘জুলাই যুদ্ধ আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘আপা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন,যে অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর ভিত্তি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের সময়েই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলা হচ্ছে। হামলায় জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনা উচিত।
এছাড়া, তারা মনে করেন,যে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে,তাদের রাজনীতি এ দেশে নিষিদ্ধ করা দরকার।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করেন। এ সময় নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন এবং তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সংবাদ প্রচারের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত-হুমকি ফায়ার সার্ভিসের দুর্নীতিবাজ সাদ্দাম ও রাব্বির

নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে,রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ,ও মহাসড়ক অবরোধ

Update Time : 07:27:30 pm, Saturday, 30 August 2025

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা- রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সমবেত হওয়া শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা অবরোধ তুলে নেন।
বিক্ষোভকারীরা হামলায় জড়িতদের শাস্তি এবং সাবেক বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তারা ‘চব্বিশের বাংলায়, জাতীয় পার্টির ঠাঁই নাই’, ‘জুলাই যুদ্ধ আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘আপা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন,যে অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর ভিত্তি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের সময়েই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলা হচ্ছে। হামলায় জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনা উচিত।
এছাড়া, তারা মনে করেন,যে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে,তাদের রাজনীতি এ দেশে নিষিদ্ধ করা দরকার।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করেন। এ সময় নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন এবং তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।