
প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে
কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মাহফুজ আহমেদ
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার মত একটি দ্বায়িত্বশীল পত্রিকা এরকম মিথ্যে তথ্য দিয়ে ইসরাক সিদ্দিকী সাহেবের বিরুদ্ধে এরুপ বাজে সংবাদ প্রচার করবে এইটা কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর বিএনপি সহ জনগন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। যদি তিনি পকেট কমিটিই করতেন তাহলে কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর আহবায়ক কমিটিতই সকল সিনিয়র নেতা সহ তাদের অনুকুলের অনেকেরই নাম রয়েছে, হয়তোবা দায়িত্বশীল জায়গায় নাম না থাকতে পারে। সেখেত্রে উত্তর হলো পূর্বের কমিটিতে থাকা শ্রদ্ধেয় নেতাগন একএকজন ২০/৩০/৩৬ বছর পর্যন্ত একই পদে বহাল ছিলেন। সাংবাদিক সাহেবের নিকট প্রশ্ন? সারা জীবনকি ওনারাই দ্বায়িত্বে থাকবেন নতুন নেতৃত্ব কি সৃষ্টি হবেনা? বর্তমান উপজেলা ও পৌর আহবায়ক কমিটি,ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি,পৌর ওয়ার্ড কমিটিতে আমরা যারাই রয়েছি আমরা প্রত্যকেই কোননা কোন সিনিয়র নেতার নেতৃত্বে দলের কাজ করেছি। এখন কথা হলো জনাব ব্যারিষ্টার ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী সাহেব কে দল দায়িত্ব দিয়েছেন, ওনি দায়িত্বের জায়গা থেকে বার বার সকলকেই আহবান করেছেন উত্তর আসলো নেতাদের পক্ষ থেকে যে আমার লোকদের কে কয়টা পদ দিবেন? অর্থাৎ উপজেলায় কয়টা,পৌরতে কয়টা? ইউনিয়ন ওয়ার্ড শুধু পদের ভাগা ভাগী। এখন বলুন এভাবেকি কমিটি দেওয়া যায়? তখন তিনি বাধ্য হয়ে ওপেন আহবান জানালেন আসুন সবাই মিলেমিশে দলের কাজ করি। ওনার উদার আহবানে আমরা বিভিন্ন নেতার অনুসারী লোক যারাই এসেছি আমাদের সকলকেই ভালো ভালো জায়গায় সন্মানিত করেছেন। এইটাই বাস্তবতা —-
এখন সাংবাদিক সাহেবের নিকট আমার প্রশ্ন আপনি কোনভাবে তদন্তকরে পেলেন যে তিনি পকেট কমিটি করেছেন? ত্রাস কথাটাতো সন্ত্রাসীদের বেলায় প্রজোয্য এইটাওকি আপনি ব্যববহার করতে ভুলে গেলেন? উনিকি চাঁদা বাজ? তিনিকি মানুষের জমি দখল করেছেন? উনিকি ঝুটের ব্যবসা করেন? আর ওনাকে বলেছেন যে তিনি নাকি ৫ ই আগষ্টের পরের নেতা। এই পরিবার নেতার পরিবার, ওনি উড়েএসে জুড়ে বসেন নাই। তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা কোষাধক্ষ্য ছিলেন, ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী তিনি সরাসরি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তার পর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক, তারপর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এবং আন্দোলন সংগ্রামে অসংখ্য অংশগ্রহণ —-
মোঃ মাহফুজ আহমেদ 
























