Dhaka 5:03 pm, Wednesday, 29 April 2026

ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে পল্লী লতা 

নবীন কবি জান্নাতুল রহমান স্নেহা

 

ঈদের আনন্দে সবাই যখন আত্মহারা, ঠিক তখনই ২ জন ছেলে মেয়ে তাদের অদম্য ইচ্ছা শক্তি দিয়ে নতুন কিছু করার পরিকল্পনা আঁকে । নতুন ভাবে তাদের ঈদ কে সবার সামনে নিয়ে আসা। তারা পরিকল্পনা করে , ঈদের ছুটিতে যে সবাই গ্ৰামে যাবে , সেখানে তারা গ্ৰামের শান্তিযময় প্রকৃতির, গ্ৰমীন চিত্র,…. এগুলোর ছবি কালেক্ট করবে । আহ্ কতোই না সুমধুর চিন্তাধারা। ঠিক আমার যদি এভাবে আস্তে আস্তে গ্ৰামীন অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে যায় কতোই না ভালো হবে । মানুষের চিন্তাধারা পরিবর্তন হবে । পরিবর্তন হবে ভাব চিত্র।

চলুন একটু ঘুরে আসি গ্ৰামীন কিছু শান্তিময় দৃশ্য থেকে ।

গ্রামের ভোরটা যেন প্রতিদিনই নতুন করে জন্ম নেয়। কুয়াশা ভেজা আকাশের নিচে চারদিকে এক অপার্থিব শান্তি। বড় বড় গাছের ডালে পাখিরা বসে দিনের প্রথম সুর তোলে, আর হালকা বাতাসে পাতাগুলো দুলে ওঠে যেন প্রকৃতি নিজেই ধীরে ধীরে জেগে উঠছে।

সেই গ্রামের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটা উঠান। ঘরের পাশে খোলা জায়গা, আর সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি সাদা-কালো রঙের ছোট ছাগল। তার চোখে সরলতা, মুখে একটা শুকনো পাতা—যেন সে নিজের ছোট্ট জগতে খুবই ব্যস্ত। তাকে দেখে মনে হয়, জীবনের আসল আনন্দ খুব ছোট ছোট জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।

উঠান পেরিয়ে একটু দূরে তাকালে দেখা যায় বিশাল আকাশের নিচে গাছগাছালি ঘেরা এক নিরিবিলি পরিবেশ। বাতাসে হালকা শীতলতা, মাটিতে ছড়িয়ে থাকা ছায়া, আর দূরে কোথাও কিছু ছাগল ও পাখির বিচরণ সব মিলিয়ে এক অপূর্ব Rural Beauty। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে, এখানে সময় যেন একটু ধীরে চলে।

আর সেই গাছগুলোর মাঝেই ফুটে আছে ছোট ছোট ফুল, যেখানে এক ব্যস্ত Honeybee মধু সংগ্রহে ব্যস্ত। ফুলের গন্ধ আর মৌমাছির গুঞ্জন মিলে এক অনন্য সুর তৈরি করেছে। সূর্যের আলো যখন পাতার ফাঁক দিয়ে এসে পড়ে, তখন মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই এক জীবন্ত চিত্রকর্ম।

এই গ্রামের প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি প্রাণ, প্রতিটি নিঃশ্বাসে লুকিয়ে আছে এক গভীর শান্তি আর ভালোবাসা। এখানে কোনো তাড়াহুড়ো নেই, নেই কৃত্রিমতা শুধু আছে নির্মলতা, সরলতা আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। 🌿

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

যশোরের টিটন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গুলিতে নিহত  

ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে পল্লী লতা 

Update Time : 11:11:07 pm, Wednesday, 25 March 2026

নবীন কবি জান্নাতুল রহমান স্নেহা

 

ঈদের আনন্দে সবাই যখন আত্মহারা, ঠিক তখনই ২ জন ছেলে মেয়ে তাদের অদম্য ইচ্ছা শক্তি দিয়ে নতুন কিছু করার পরিকল্পনা আঁকে । নতুন ভাবে তাদের ঈদ কে সবার সামনে নিয়ে আসা। তারা পরিকল্পনা করে , ঈদের ছুটিতে যে সবাই গ্ৰামে যাবে , সেখানে তারা গ্ৰামের শান্তিযময় প্রকৃতির, গ্ৰমীন চিত্র,…. এগুলোর ছবি কালেক্ট করবে । আহ্ কতোই না সুমধুর চিন্তাধারা। ঠিক আমার যদি এভাবে আস্তে আস্তে গ্ৰামীন অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে যায় কতোই না ভালো হবে । মানুষের চিন্তাধারা পরিবর্তন হবে । পরিবর্তন হবে ভাব চিত্র।

চলুন একটু ঘুরে আসি গ্ৰামীন কিছু শান্তিময় দৃশ্য থেকে ।

গ্রামের ভোরটা যেন প্রতিদিনই নতুন করে জন্ম নেয়। কুয়াশা ভেজা আকাশের নিচে চারদিকে এক অপার্থিব শান্তি। বড় বড় গাছের ডালে পাখিরা বসে দিনের প্রথম সুর তোলে, আর হালকা বাতাসে পাতাগুলো দুলে ওঠে যেন প্রকৃতি নিজেই ধীরে ধীরে জেগে উঠছে।

সেই গ্রামের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটা উঠান। ঘরের পাশে খোলা জায়গা, আর সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি সাদা-কালো রঙের ছোট ছাগল। তার চোখে সরলতা, মুখে একটা শুকনো পাতা—যেন সে নিজের ছোট্ট জগতে খুবই ব্যস্ত। তাকে দেখে মনে হয়, জীবনের আসল আনন্দ খুব ছোট ছোট জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।

উঠান পেরিয়ে একটু দূরে তাকালে দেখা যায় বিশাল আকাশের নিচে গাছগাছালি ঘেরা এক নিরিবিলি পরিবেশ। বাতাসে হালকা শীতলতা, মাটিতে ছড়িয়ে থাকা ছায়া, আর দূরে কোথাও কিছু ছাগল ও পাখির বিচরণ সব মিলিয়ে এক অপূর্ব Rural Beauty। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে, এখানে সময় যেন একটু ধীরে চলে।

আর সেই গাছগুলোর মাঝেই ফুটে আছে ছোট ছোট ফুল, যেখানে এক ব্যস্ত Honeybee মধু সংগ্রহে ব্যস্ত। ফুলের গন্ধ আর মৌমাছির গুঞ্জন মিলে এক অনন্য সুর তৈরি করেছে। সূর্যের আলো যখন পাতার ফাঁক দিয়ে এসে পড়ে, তখন মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই এক জীবন্ত চিত্রকর্ম।

এই গ্রামের প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি প্রাণ, প্রতিটি নিঃশ্বাসে লুকিয়ে আছে এক গভীর শান্তি আর ভালোবাসা। এখানে কোনো তাড়াহুড়ো নেই, নেই কৃত্রিমতা শুধু আছে নির্মলতা, সরলতা আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। 🌿