Dhaka 2:04 pm, Wednesday, 29 April 2026

বানিজ্যিক ভাবে তেঁতুলিয়ায় থেকে ভারতে রপ্তানি হচ্ছে সুপারি 

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম:-

পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলা তেঁতুলিয়া মাটি আবহাওয়া অনুকুল থাকায়, অন্য আবাদ যে স্থানে হয় না উচু মাটিতে বসত বাড়ীর দোয়াশ সমতল উচু জমিতে সুপারির বাগান গড়ে এবার বাগান মালিকরা লাভমান হয়েছেন। বসত বাড়ীর সীমানায় যত্রতত্র সুপারি রোপন করা যায়। সুপারীর ক্ষুদ্র ব্যবসাহীরাও এবার লাভবান হয়েছেন বলে জানা গেছে। সুপারি চাষে সংসারে আপত কালীন পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে।

এ বিষয়ে ২নং তিরনই হাট ইউনিয়নে পিঠাখাওয়া গ্রামের আব্দুল বাছেত (৩০) তেতুলিয়া রণচণ্ডী হাসান আলী (৩৪) এবং

তিরনই হাট, মনিগছ গ্রামের মজিবর রহমান, রনচন্ডী গ্রামের সুপারি ব্যবসায়ী দেলয়ার হোসেন জানান, অথনীতির বড় একটা অংশ দখল করে আছে সুপারি।

এই ব্যবসা করে একটা সংসারে ছয় মাসের মতো চলতে পারেন। দেশের বড় বড় সুপারি ব্যবসায়ীরা এখন অবস্থান করছেন পঞ্চগড় জেলা সহ তেঁতুলিয়ার গুরুত্বপূন হাট বাজারের গুলোর মধ্যে। বিভিন্ন হাট থেকে তারা সুপারি কিনে ট্রাক করে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। আর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই পাকা সুপারি কিনে তারা মজুত করছেন। আবার কেউ কেউ সুপারি মাটিতে পুতে রাখবেন। মাস দু’য়েক পর তারা এ সুপারি মাটি থেকে তুলে মজা সুপারি হিসেবে বেশি মুনাফার লাভে বিক্রয় করবেন। এবার সুপারি বাগানে কিছুটা ফলন কম হলেও বাজারে দাম বেশ ভালো। প্রতি বছর এপ্রিল মে এবং জুন মাসে সুপারি পাকতে শুরু করে।

বর্তমানে হাট বাজারে প্রতি পণ (২০হালি বা ৮০ টি) সুপারি বিক্রি হচ্ছে সাইজ ভেদে ২শ’ টাকা থেকে ৩ শ’ টাকা দরে। আর প্রতি কাহন (১৬ পণ ) সুপারি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২ শ’ টাকা থেকে ৪ শত টাক দাম ভালো পাওয়ায় এবার লাভবান হয়েছে এ জেলার বাগান মালিকরা। সুপারির বাগান মালিক পিঠা খাওয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী বাবুরাম জোত গ্রামের নুর আলম, মোল্লা হাবিবুর রহমান মামুন, সুপারি বিক্রি করে ন্যয্য মূল্য পাওয়ার কথা জানান।

তবে তেতুলিয়া কৃষক নুরুল ইসলাম, নুর আলম মোল্লা জানান,

গত বছর দাম বেশি পাওয়া গেছে। এবছর হাটবাজারে ১ শত থেকে ২ শত টাকা দাম কম।

এই ব্যাপারে তেঁতুলিয়ার কৃষি অফিসার সাবরিনা আফরিন জানান, রোগ বালাই তেমন একটা না থাকায় এ মৌসুমে বাগান মালিকরা সুরারির ন্যয্য মূল্য পয়েছেন। অর্থনীতিতে অবদান রাখছে সুপারি। বাণিজ্যিক ভাবে রপ্তানি হচ্ছে দক্ষিণঞ্চল সহ অন্য জেলা গুলোতে, যে স্থান গুলোতে সুপারি উৎপাদন হয় না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শ্রমিক সংকটে নওগাঁর ছাতড়া বিলের ধান কাটা ব্যাহত, মজুরি দ্বিগুণ

বানিজ্যিক ভাবে তেঁতুলিয়ায় থেকে ভারতে রপ্তানি হচ্ছে সুপারি 

Update Time : 10:37:34 pm, Tuesday, 28 April 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম:-

পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলা তেঁতুলিয়া মাটি আবহাওয়া অনুকুল থাকায়, অন্য আবাদ যে স্থানে হয় না উচু মাটিতে বসত বাড়ীর দোয়াশ সমতল উচু জমিতে সুপারির বাগান গড়ে এবার বাগান মালিকরা লাভমান হয়েছেন। বসত বাড়ীর সীমানায় যত্রতত্র সুপারি রোপন করা যায়। সুপারীর ক্ষুদ্র ব্যবসাহীরাও এবার লাভবান হয়েছেন বলে জানা গেছে। সুপারি চাষে সংসারে আপত কালীন পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে।

এ বিষয়ে ২নং তিরনই হাট ইউনিয়নে পিঠাখাওয়া গ্রামের আব্দুল বাছেত (৩০) তেতুলিয়া রণচণ্ডী হাসান আলী (৩৪) এবং

তিরনই হাট, মনিগছ গ্রামের মজিবর রহমান, রনচন্ডী গ্রামের সুপারি ব্যবসায়ী দেলয়ার হোসেন জানান, অথনীতির বড় একটা অংশ দখল করে আছে সুপারি।

এই ব্যবসা করে একটা সংসারে ছয় মাসের মতো চলতে পারেন। দেশের বড় বড় সুপারি ব্যবসায়ীরা এখন অবস্থান করছেন পঞ্চগড় জেলা সহ তেঁতুলিয়ার গুরুত্বপূন হাট বাজারের গুলোর মধ্যে। বিভিন্ন হাট থেকে তারা সুপারি কিনে ট্রাক করে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। আর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই পাকা সুপারি কিনে তারা মজুত করছেন। আবার কেউ কেউ সুপারি মাটিতে পুতে রাখবেন। মাস দু’য়েক পর তারা এ সুপারি মাটি থেকে তুলে মজা সুপারি হিসেবে বেশি মুনাফার লাভে বিক্রয় করবেন। এবার সুপারি বাগানে কিছুটা ফলন কম হলেও বাজারে দাম বেশ ভালো। প্রতি বছর এপ্রিল মে এবং জুন মাসে সুপারি পাকতে শুরু করে।

বর্তমানে হাট বাজারে প্রতি পণ (২০হালি বা ৮০ টি) সুপারি বিক্রি হচ্ছে সাইজ ভেদে ২শ’ টাকা থেকে ৩ শ’ টাকা দরে। আর প্রতি কাহন (১৬ পণ ) সুপারি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২ শ’ টাকা থেকে ৪ শত টাক দাম ভালো পাওয়ায় এবার লাভবান হয়েছে এ জেলার বাগান মালিকরা। সুপারির বাগান মালিক পিঠা খাওয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী বাবুরাম জোত গ্রামের নুর আলম, মোল্লা হাবিবুর রহমান মামুন, সুপারি বিক্রি করে ন্যয্য মূল্য পাওয়ার কথা জানান।

তবে তেতুলিয়া কৃষক নুরুল ইসলাম, নুর আলম মোল্লা জানান,

গত বছর দাম বেশি পাওয়া গেছে। এবছর হাটবাজারে ১ শত থেকে ২ শত টাকা দাম কম।

এই ব্যাপারে তেঁতুলিয়ার কৃষি অফিসার সাবরিনা আফরিন জানান, রোগ বালাই তেমন একটা না থাকায় এ মৌসুমে বাগান মালিকরা সুরারির ন্যয্য মূল্য পয়েছেন। অর্থনীতিতে অবদান রাখছে সুপারি। বাণিজ্যিক ভাবে রপ্তানি হচ্ছে দক্ষিণঞ্চল সহ অন্য জেলা গুলোতে, যে স্থান গুলোতে সুপারি উৎপাদন হয় না।