
আবু হাসান আপন, (নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের যশাতুয়া গ্রামে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এক ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় তাঁর ১০ বছর বয়সী ছেলেকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় যশাতুয়া গ্রামের পরানশাহ মাজারসংলগ্ন একটি চা দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কাজী সাহাবুউদ্দিন মামুন (৩৮) রতনপুর ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় তিনি নবীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা কাজী নাজমুল হাসান আখলাক (২৫) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। ইউপি সদস্য সাহাবুউদ্দিন তাঁকে এসব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বারবার সতর্ক করে আসছিলেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল এবং একাধিকবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আখলাক চা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সাহাবুউদ্দিনকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে চাইলে একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাহাবুউদ্দিনের বাম হাতে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে আবারও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন সাহাবুউদ্দিন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তাঁর হাতে কয়েকটি সেলাই দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর ১০ বছর বয়সী ছেলে কাজী হাফিজ উদ্দিনকে ঘরে আটকে রাখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
কাজী সাহাবুউদ্দিন বলেন, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমি ও আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবু হাসান আপন 





















