
মোঃ আলমগীর মোল্লা: কালীগঞ্জে যেইভাবে উন্নয়নমূলক কাজ হওয়ার কথা ছিল সেইভাবে কাজ হয়নি। দীর্ঘ ১৭ বছর কালীগঞ্জে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছে। ডাকবাংলো থেকে কোনো ধরনের আয় আমাদের ছিল না। সরকার আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা দৃষ্টিনন্দন কাজ করবো। মানুষের উপকার হয় এমন ধরনের কাজ করতে আমরা জেলা পরিষদ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছি। এই বাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে। এরই মধ্যে আমরা কিছু কাজ শুরু করেছি। কিছু দিনের মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে বাকি কাজগুলো করা হবে।
গতকাল শনিবার সকালে কালীগঞ্জ ডাকবাংলোর অবকাঠামো উন্নয়ন পরিদর্শনে এসে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল এগারোটায় তিনি কালীগঞ্জ ডাকবাংলোতে আসলে স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দর সাথে বাংলোতে মতবিনিময় সভা করেন তিনি। সভা শেষে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ রুমগুলো পরিদর্শন করেন। মহিলা রেস্টরুম, ডাইনিং রুম, টয়লেট নতুন রুপে সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হয়। উচু করে বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণ করে বাংলোকে সৌন্দর্যবর্ধন করতে প্রশাসনকে তাগিদ দেন প্রশাসক ইশরাক আহমদ চৌধুরী।
এই সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন কবির মাষ্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, সদস্য মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন আরমান মাষ্টার, সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, পৌর বিএনপির সদস্য মো. রুহুল আমিন মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 


















