Dhaka 3:30 am, Wednesday, 22 April 2026

বিদ্যুৎ এর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন

মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম। দিনের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যার পর থেকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের।

ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের মতে, শুধু দিনের বেলায়ই নয়, বরং সন্ধ্যার পর যখন বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে, তখনই লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে একবার বিদ্যুৎ গেলে দীর্ঘ ২-৩ ঘণ্টার আগে ফিরে আসছে না।

সামনে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা ও স্কুলের পরীক্ষা থাকলেও রাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে বসতে পারছে না। হাতপাখা আর মোমবাতিই এখন তাদের ভরসা। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ (পিডিবি/পল্লী বিদ্যুৎ) সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় রুটিন মাফিক লোডশেডিং দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে বাধ্য হয়েই ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হচ্ছে।

উপজেলাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিশেষ করে রাতের বেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিদ্যুৎ এর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন

Update Time : 11:48:25 pm, Tuesday, 21 April 2026

মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম। দিনের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যার পর থেকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের।

ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের মতে, শুধু দিনের বেলায়ই নয়, বরং সন্ধ্যার পর যখন বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে, তখনই লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে একবার বিদ্যুৎ গেলে দীর্ঘ ২-৩ ঘণ্টার আগে ফিরে আসছে না।

সামনে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা ও স্কুলের পরীক্ষা থাকলেও রাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে বসতে পারছে না। হাতপাখা আর মোমবাতিই এখন তাদের ভরসা। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ (পিডিবি/পল্লী বিদ্যুৎ) সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় রুটিন মাফিক লোডশেডিং দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে বাধ্য হয়েই ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হচ্ছে।

উপজেলাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিশেষ করে রাতের বেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।