Dhaka 1:29 am, Wednesday, 17 June 2026

মাহদী আমিন ও আমি ২০১১ সাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান Tarique Rahman বলেছেন, বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির ধারণা কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ফল নয়; বরং এটি দীর্ঘ গবেষণা, পরিকল্পনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, এই কর্মসূচি নিয়ে তিনি এবং মাহদী আমিন ২০১১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছেন।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাইছি। সবাই বলছে এটি বাজিমাত প্রোগ্রাম। হ্যাঁ, এটি বাজিমাত প্রোগ্রাম। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে বাজিমাত বলতে পারেন। তবে এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের গবেষণা ও পরিকল্পনা।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা একটি বিষয় চিন্তা করে দেখুন। আমরা গবেষণা করে এই ধারণা পেয়েছি। মাহদী আমিন এবং আমি ২০১১ সাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কাজ করছি। দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা, তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন বাস্তবতা বিশ্লেষণের পর আমরা এই উদ্যোগকে সামনে এনেছি।”

বিএনপি চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা, কল্যাণ ও সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা, জনগণের চাহিদা এবং সরকারি সেবার কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই কর্মসূচির কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করলে তারেক রহমান এ উদ্যোগের পেছনের গবেষণা, পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এটিকে দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাগরপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে সংসদ সদস্য’র সংবর্ধনা এবং বর্তমান ও সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দদের পুনর্মিলনী ৩ জুলাই ২০২৬

মাহদী আমিন ও আমি ২০১১ সাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 10:43:28 pm, Tuesday, 16 June 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান Tarique Rahman বলেছেন, বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির ধারণা কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ফল নয়; বরং এটি দীর্ঘ গবেষণা, পরিকল্পনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, এই কর্মসূচি নিয়ে তিনি এবং মাহদী আমিন ২০১১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছেন।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাইছি। সবাই বলছে এটি বাজিমাত প্রোগ্রাম। হ্যাঁ, এটি বাজিমাত প্রোগ্রাম। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে বাজিমাত বলতে পারেন। তবে এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের গবেষণা ও পরিকল্পনা।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা একটি বিষয় চিন্তা করে দেখুন। আমরা গবেষণা করে এই ধারণা পেয়েছি। মাহদী আমিন এবং আমি ২০১১ সাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কাজ করছি। দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা, তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন বাস্তবতা বিশ্লেষণের পর আমরা এই উদ্যোগকে সামনে এনেছি।”

বিএনপি চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা, কল্যাণ ও সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা, জনগণের চাহিদা এবং সরকারি সেবার কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই কর্মসূচির কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করলে তারেক রহমান এ উদ্যোগের পেছনের গবেষণা, পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এটিকে দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।