Dhaka 9:26 am, Sunday, 26 April 2026

টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছেনা মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা

টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছেনা মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা

মোঃ লিমন হোসেন:স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড কেরানির টেক বস্তির একাধিক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও কোন অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না, কেরানিরটেক বস্তির মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা। কে এই মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ? কারিমা কেরানীরটেক বস্তির মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদিরের মেয়ে।শুধু কারিমা নয় তার আপন বোন রুনা বড় ভাই আমির হোসেন বাবা আঃ কাদির মিয়া সহ পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে টঙ্গী সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। টঙ্গীর কেরানিরটেক বস্তিতে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে, এই বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীগণ একই পরিবারের সদস্য।এরা টঙ্গীতে বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত এবং মাদকের গড ফাদার হিসাবেও খুব পরিচিত।কিছুদিন আগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে রুনা গ্রেফতার হলেও কারিমা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাহিরে।
কারিমার নেতৃত্বে রয়েছেন একাধিক মাদক বিক্রেতা, আরো জানা যায় যে কারিমা, রুনা, কাদির এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার পিস ইয়াবা খুচরা বিক্রি করে থাকে। ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসা করে তারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টঙ্গীতে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অন্তত ১৩ টি বাড়ি এবং নামে বে নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু ব্যক্তি দৈনিক একুশের পাতাকে জানান কারিমার নামে বেনামে রয়েছে হোটেল ও ইজ্জতপুরে কয়েক বিঘা সম্পত্তি।

এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গেলে মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা,
কাদির সাংবাদিককে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতার পরিচয় চলে তাদের এই মাদক ব্যবসা। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে, কথিত সাংবাদিক শামীমা খানম বেবী সহ কয়েক জন কথিত সাংবাদিক এর শেল্টারে চলে এই মাদক ব্যবসা। এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি মাদক সম্রাঞ্জী কারিমার পরিবার টঙ্গীতে সব থেকে বেশি মাদক ক্রয় বিক্রয় করছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালণ করে আসছে। প্রশাসনে নিকট জোর দাবি কারিমার পরিবার ও তাদের শেল্টার দাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমার থানা এলাকায় প্রতিনিয়ত মাদকের উপর অভিযান চলছে। অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও বাকি মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নরসিংদীর শিবপুরে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের নমুনা শস্য কর্তন উৎসবের উদ্বোধন 

টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছেনা মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা

Update Time : 04:12:19 pm, Tuesday, 18 March 2025

টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছেনা মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা

মোঃ লিমন হোসেন:স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড কেরানির টেক বস্তির একাধিক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও কোন অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না, কেরানিরটেক বস্তির মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা। কে এই মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ? কারিমা কেরানীরটেক বস্তির মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদিরের মেয়ে।শুধু কারিমা নয় তার আপন বোন রুনা বড় ভাই আমির হোসেন বাবা আঃ কাদির মিয়া সহ পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে টঙ্গী সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। টঙ্গীর কেরানিরটেক বস্তিতে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে, এই বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীগণ একই পরিবারের সদস্য।এরা টঙ্গীতে বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত এবং মাদকের গড ফাদার হিসাবেও খুব পরিচিত।কিছুদিন আগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে রুনা গ্রেফতার হলেও কারিমা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাহিরে।
কারিমার নেতৃত্বে রয়েছেন একাধিক মাদক বিক্রেতা, আরো জানা যায় যে কারিমা, রুনা, কাদির এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার পিস ইয়াবা খুচরা বিক্রি করে থাকে। ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসা করে তারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টঙ্গীতে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অন্তত ১৩ টি বাড়ি এবং নামে বে নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু ব্যক্তি দৈনিক একুশের পাতাকে জানান কারিমার নামে বেনামে রয়েছে হোটেল ও ইজ্জতপুরে কয়েক বিঘা সম্পত্তি।

এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গেলে মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা,
কাদির সাংবাদিককে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতার পরিচয় চলে তাদের এই মাদক ব্যবসা। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে, কথিত সাংবাদিক শামীমা খানম বেবী সহ কয়েক জন কথিত সাংবাদিক এর শেল্টারে চলে এই মাদক ব্যবসা। এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি মাদক সম্রাঞ্জী কারিমার পরিবার টঙ্গীতে সব থেকে বেশি মাদক ক্রয় বিক্রয় করছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালণ করে আসছে। প্রশাসনে নিকট জোর দাবি কারিমার পরিবার ও তাদের শেল্টার দাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমার থানা এলাকায় প্রতিনিয়ত মাদকের উপর অভিযান চলছে। অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও বাকি মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে।