
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কালজয়ী আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে খুলনা জেলা শাখার ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ’ এর নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে। আর এই কমিটির নেতৃত্বের ভার উঠেছে খুলনার রাজপথের পরিচিত মুখ, লড়াকু সৈনিক ” সাংবাদিক “কে এম কামরুজ্জামান জুয়েল রানার” কাঁধে।
কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনা ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ৭ জনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন
সাংবাদিক কে এম কামরুজ্জামান জুয়েল রানা_ তিনি রূপসা উপজেলার ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়নের পুঁটিমাড়ি গ্রামের কৃতি সন্তান ও উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সদস্য সচিব হয়েছেন আব্বাস আলম। যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান। সদস্য হিসেবে আছেন মো. হাবিবুল্লাহ বাহার, আরিফুল ইসলাম হাসান, সাদ্দাম হোসেন জুয়েল ও মীরাজ শেখ।
খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে জুয়েল রানা নামটা নতুন না। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে দলের দুঃসময় – সবসময় মাঠে থেকেছেন তিনি। কর্মীদের কাছে তিনি “লড়াকু সৈনিক” হিসেবেই পরিচিত। সাহসী নেতৃত্ব আর তৃণমূলের সাথে গভীর যোগাযোগের কারণেই এবার শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের হাল ধরলেন তিনি।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদনের কথা নিশ্চিত করা হয়। একই সাথে নবগঠিত কমিটিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জেলার অধীনস্থ সকল উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট পুনর্গঠন করে একটি সফল জেলা সম্মেলন সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কমিটি গঠনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত আহ্বায়ক কে এম কামরুজ্জামান জুয়েল রানা বলেন, “আমাদের ওপর যে সাংগঠনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, আমরা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তার মর্যাদা রক্ষা করব। শহীদ জিয়ার স্মৃতি ও আদর্শকে বুকে ধারণ করে খুলনার প্রতিটি প্রান্তে এই সংগঠনকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে এই কমিটি রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমরা কথা দিচ্ছি, জিয়ার সৈনিকরা পিছপা হবে না।
সদস্য সচিব আব্বাস আলম বলেন, “জুয়েল রানার নেতৃত্বে আমরা একটা পরিবারের মতো কাজ করব। ৯০ দিনের টার্গেট পূরণ করে খুলনায় সংগঠনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাব।
কমিটি ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুলনার স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুয়েল রানা ও আব্বাস আলমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জুয়েল রানার মতো মাঠের নেতার হাতে দায়িত্ব যাওয়ায় খুলনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ দ্রুত সংগঠিত হবে। তৃণমূল পর্যায়ে জিয়ার আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, জুয়েল রানা-আব্বাস আলমের এই সাহসী ও গতিশীল নেতৃত্বের হাত ধরে খুলনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। রাজপথে, জনগণের পাশে, আদর্শের লড়াইয়ে তারা থাকবে সবার আগে।
Reporter Name 




















