
চট্টগ্রামের রুমা ঋণের দায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক,জীবন:
অসৎ ও প্রতারক আদম ব্যবসায়ী কাজী শাহজাহানের বিরুদ্ধে ০৮ জন বিদেশগামী যাত্রী হতে পয়ত্রিশ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও ০২ টি পাসপোর্ট আটক রাখার অভিযোগ।
গাজীপুর জেলার টুঙ্গী থানায় রুমা বেগমের দাখিলকৃত জিডির পরিপ্রেক্ষিতে কাজী শাহজাহানের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ০৮ জন বিদেশগামীদের নিকট থেকে রুমা বেগমের মাধ্যমে ৩৫ লক্ষ টাকা গ্রহন করার পর রুমা বেগম কে মেরে ফেলার হুমকীর সত্যতা খুঁজতে গিয়ে দূর্নীতি সংবাদ সংস্থা কর্তৃক অনুসন্ধানী সাংবাদিক টিমের তথ্য-উপাত্ত, ভিডিও চিত্র, অশ্লীল ভয়েজ রেকর্ড অনুসারে সুপষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, মানিকগঞ্জ জেলার ঘিউর উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে টঙ্গী চেরাগাআলি কলেজ গেইট সংলগ্ন মৃত্তি বাড়ি বটতলা এলাকায় বসবাসরত কাজী শাহজাহান একজন প্রতারক, সন্ত্রাসী ও অসৎ আদম ব্যবসায়ী।
শুধু তাই নয়, কাজী শাহজাহান অপরাধ চক্রের হোতা হিসেবে একজনসম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের গৃহিনী ও নারী উদ্দোক্তা রুমা বেগমকে বারবনিতা সাজানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রমাণ স্বরূপ রুমার স্বামী মোহাম্মদ নুরুন্নবী এর হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে অশ্লীল ভয়েস রেকর্ড একটার পর একটা পাঠিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ থাকে যে, কাজী শাহজাহান ভয়ঙ্কর প্রকৃতির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অভিনব কায়দায় ০৮ জন বিদেশগামী যাত্রীদের নিকট থেকে সর্বমোট ৩৫,০০,০০০/- পয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ করার কৌশলে নিজের অপকর্ম এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঢাকতে রুমা বেগমকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রাণ নাসের হুমকি সহ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
রুমা বেগমের মাধ্যমে গ্রহনকৃত ০৮ জন বিদেশগামী যাত্রীদের পাওনা বাবদ ৩৫,০০,০০০% (পয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা ও ২ টি পাসর্পোট আটক রেখে গা ঢাকা দিলে ভুক্তভোগীদের দুঃখ-কষ্ট, আহাজারী এবং রুমা বেগমের নিরাপত্তাহীনতায় অনুসন্ধানী সাংবাদিক টিম তথ্য সংগ্রহকালীন মুহূর্তেও কাজী শাহজাহান সহ বিভিন্ন নাম্বার হতে তার চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন মোবাইল থেকে নারী ও পুরুষ কণ্ঠে-দায়িত্বরত সাংবাদিকদের হুমকী দিচ্ছে বলেও ভঅভিযোগ মিলেছে।
অনতিবিলম্বে এই প্রতারক অসৎ আদম ব্যবসায়ী কে আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীর সমুদয় টাকা ও ২ টি বই উদ্ধার কল্পে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায় কাজী শাহজাহান এর অফিসে মুক্তা নামে একটি মেয়ে চাকরি করতো সে সময় কাজী মুক্তাকে দিয়ে বিভিন্ন পার্টির টাকা কালেকশন ও মুক্তা আরো কিছু যাত্রীর নিকট হতে পাসপোর্ট ও টাকা নিয়ে কাজী শাজাহানকে দেয়, এক পর্যায়ে মুক্তার দেয়া যাএীদের ফ্লাইট না দেওয়ায়, টাকা না দেওয়ায় এবং তার সকল অপকর্মের সাক্ষী হওয়ায় মুক্তার উপরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়, একপর্যায়ে মুক্তা আত্মহত্যা করে প্রাণ দেয়। বিস্তারিত আসছে পরবর্তী প্রতিবেদনে।
Reporter Name 






















