
মোঃ মমিন আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
আজ ইং-১৭/০৪/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান-১৪.০০ ঘটিকায় সরকারি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অফিসার ইনচার্জ সদর থানা জানতে পারেন যে যে, দুই জন নাবালক শিশু ঢাকা বাস টার্মিনাল এলকায় এলোমেলো ভাবে ঘোরাফেরা করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুদেরকে জিম্মায় নেয়, শিশুরা জানায় , শিশুদ্বয় অপন দুই ভাই। তাদের বাবা-মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরী করে এবং তারা নিয়ামতপুর থানাধীন ছাত্রাবাজার এলকায় নানা বাড়ীতে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। তারা পুলিশকে জানায় (মিথ্যা গল্প ) যে আজকে সকাল ১০.০০ ঘটিকায় তাদেরকে তাদের নানি মারধর করে এবং তাদের হাতে তাদের মায়ের পাঠানো ১৮,০০০/-(আঠারো হাজার) টাকা দিয়ে বাড়ী হইতে বের করে দিলে তারা প্রথমে লোকাল বাসে নওগাঁ এসে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাস টার্মিনালে ঘোরাফেরা করছিল।
বিষয়টি পুলিশ সুপার জানার সাথে সাথেই, শিশুদেরকে থানায় নিয়ে আসার নির্দেশনা প্রদান করেন একই সাথে সদর থানাকে নিয়ামতপুর থানার সাথে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেন। সদর থানার পুলিশ নিয়ামতপুর থানার মাধ্যমে তাদের পরিবারকে খোঁজাখুঁজি করে নওগাঁ সদর মডেল থানায় আসতে বললে উভয়ের অভিভাবক থানায় উপস্থিত হয়ে জানায় যে, উল্লেখিত শিশুদ্বয় আপন ভাই না। ১) মোঃ নুর নবী ইসলাম (১১), পিতা-মোঃ আনিছুর রহমান, মাতা-ফেন্সি, ২) মোঃ আমিনুল ইসলাম(১২), পিতা-মোঃ মুনছুর রহমান, মাতা-মোছাঃ আমেনা বেগম, উভয় সাং-ঘাটনগর মোল্লা পাড়া, থানা-পোরসা, জেলা-নওগাঁ। উভয় শিশুর মাদ্রসায় পড়া লেখা করতে ভালে না লাগায় শিশু মোঃ আমিনুল ইসলাম(১২), বাবার গরু বিক্রয় করা ২২,০০০/-(বাইশ হাজার) টাকা গোপনে নিয়ে উভয় শিশু পরার্মশ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য নেয়ামতপুর থেকে রওনা করে। উভয় শিশু প্রথমে তারা পুলিশের কাছে একটি গল্প বানানোর চেষ্টা করেছিল। সকালে তারা লোকাল বাসে নেয়ামতপুর থেকে নওগাঁ জেলায় আসে। উপযুক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতে রাত ২০.৩০ ঘটিকায় শিশুদ্বয়কে তাদের পিতার জিম্মায় দেওয়া হশ। শিশুদের অভিভাবক গন, অফিসার ইনচার্জ সদর থানা কে জানান সকাল থেকেই তারা শিশুদেরকে খুঁজছেন, দ্রুততম সময় শিশুদের কে খুঁজে পাওয়ায় তারা পুলিশের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নাবালক শিশুদের দেখাশোনার দায়িত্ব প্রথমত তার পরিবারের, একই সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। এভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে বের হয়ে গেলে শিশুরা যেকোনো সময় অপরাধের শিকার হতে পারে অথবা কোন গুরুতর অপরাধের ভিকটিম হতে পারে। তিনি এ বিষয়ে শিশুদের অভিভাবকদের আবদ্ধ পরিবেশে পড়াশোনার বিষয়ে আরো যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।
Reporter Name 


















