
প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আবু নাছের,ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে আহত হওয়ার পরও দৃঢ় মনোবল নিয়ে সম্পূর্ণ পরীক্ষা দিয়েছেন এক শিক্ষার্থী।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম মো. নিয়ামুল হাসান। তিনি দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষার প্রায় দেড় ঘণ্টা পার হওয়ার পর হঠাৎ করেই ঘূর্ণায়মান একটি সিলিং ফ্যান খুলে নিয়ামুলের মাথার ওপর পড়ে। এতে ফ্যানের পাখার আঘাতে তার মাথার একপাশ কেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
ঘটনার পরপরই পরীক্ষার হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে। কিছু সময়ের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি মেডিকেল টিম। তারা আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।
চিকিৎসা শেষে নিয়ামুল আবার পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং দৃঢ়তার সঙ্গে তার উত্তরপত্র সম্পন্ন করে। আহত হওয়া এবং চিকিৎসা নিতে সময় লাগায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেন্দ্রের কিছু কক্ষ পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, “পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।”
এদিকে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আবু নাছের 


















