
মোঃসোহেল রানা রাজশাহী প্রতিনিধি
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৭ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০০১০ ঘটিকায় সোনাইকান্দি বিওপি’র নিয়মিত টহল পরিচালনার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, দামকুড়া থানাধীন খোলাবনা নামক এলাকার কলা বাগানের মধ্যে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিছু অসাধু চক্র ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাদক ব্যবসায়ীরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহল দল তথ্যের উপর ভিত্তি করে কলা বাগানের এর ভিতরে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে বিজিবি’র টহল দল দেখতে পায় যে, পলিথিনে মোড়ানো কিছু একটা পড়ে আছে তখন টহল দল পলিথিনটি খুললে তার মধ্য হতে ১৭৯ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য দামকুড়া থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও একই দিনে রাত্রি আনুমানিক ০০৫০ ঘটিকায় সাহেবনগর বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গোদাগাড়ী থানাধীন চরকানাপাড়া নামক এলাকা দিয়ে মাদক দ্রব্যের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধান ক্ষেতের মধ্যে ফাঁদ পেতে থাকে। দীর্ঘ সময় ফাঁদ পেতে থাকার এক পর্যায়ে আভিযানিক দলটি হতে কিছুটা দূরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পায়। তৎক্ষতাৎ আভিযানিক দল ঘটনা যাচাই করার জন্য সুকৌশলে অগ্রসর হলে মাদক কারবারীরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের নিকট থাকা বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে আভিযানিক দল একটি বস্তা দেখতে পায় এবং বস্তাটি গুলো খুললে তার মধ্য হতে ২৬ বোতল ভারতীয় জেডি মদ (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মোঃ সুহেল রানা 


















