Dhaka 4:38 am, Sunday, 9 August 2026

সরকারি পরীক্ষা আইন সংশোধনের কয়েকটি ধারা অসামঞ্জস্যপূর্ণ:বাকবিশিস

‘কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর’— বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের দাবি

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: আহমদ রেজা

সরকারি পরীক্ষাবিষয়ক সংশোধিত আইনের কয়েকটি ধারা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত কঠোর, অস্পষ্ট ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, প্রস্তাবিত আইনের কিছু কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ, শিক্ষকসমাজের পেশাগত মর্যাদা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সরকারি পরীক্ষা (অপরাধসমূহ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে আলোচনায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা তাদের উদ্বেগ ও মতামত তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাকবিশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর লিখিত বক্তব্যে বলেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সংশোধিত আইনে সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পূর্ববর্তী আইনের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা পুনর্বিন্যাস করা হলেও কয়েকটি বিধান ‘ডিউ প্রসেস অব ল’ এবং পেশাগত মূল্যায়নের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে প্রস্তাবিত কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবন, পেশাগত মর্যাদা এবং শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেওয়া প্রয়োজন।

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ধারা ৩(ক)-এ ‘আইনগত কর্তৃপক্ষ’-এর সংজ্ঞা যথেষ্ট অস্পষ্ট। ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের বিধান যুক্তিসঙ্গত নয়। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল এবং শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রচলিত চাকরিবিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়াই যথেষ্ট বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ধারা ১০(ক)-এ উত্তরপত্র মূল্যায়নে অতিরিক্ত বা কম নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অথচ উত্তরপত্র মূল্যায়ন একটি পেশাগত ও একাডেমিক বিচারপ্রক্রিয়া। মূল্যায়নের ভুলকে সরাসরি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করলে শিক্ষকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পরীক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায়।

কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার দাবি

বাকবিশিসের সাধারণ সম্পাদক ধারা ৩(ক), ৪, ৫, ৬, ৮, ৯(ক), ১০(ক) ও ১৪ পুনর্বিবেচনা করে শাস্তির মেয়াদ এবং প্রয়োগের পরিধি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পরীক্ষা বাতিল এবং শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা দুর্ঘটনাজনিত ভুল এবং ইচ্ছাকৃত প্রতারণা বা জালিয়াতিমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সুস্পষ্ট আইনগত পার্থক্য নির্ধারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, আইনবিদ ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে আইনটি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

পাবলিক পরীক্ষানির্ভরতা কমানোর আহ্বান

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে ধারাবাহিক ও গঠনমূলক মূল্যায়ন পদ্ধতির দিকে শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি তোলেন তারা। বক্তাদের অভিযোগ, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় দেড় বছরেও শিক্ষা নিয়ে কোনো কমিশন গঠন করেনি। ফলে একটি অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনস্ক, বৈষম্যহীন, সর্বজনীন ও গণতান্ত্রিক শিক্ষা নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণের লক্ষ্যে দ্রুত একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন প্রয়োজন।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ এবং শিক্ষকসমাজের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে আইনটি চূড়ান্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পর্যালোচনার উদ্যোগ নেবে।

যারা বক্তব্য রাখেন

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. এম এম আকাশ, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ন হ ম আবু বকর, বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে খন্দকার সেলিম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)-এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. শামীম আল মামুন (জুয়েল), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, বাকবিশিস সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, প্রবীণ শিক্ষক নেতা আলী আহমদ, উন্নয়নকর্মী ও শিক্ষা গবেষক এনামূল হক, গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রতিনিধি শামসুন্নাহার কলি, বাকবিশিস নেতা অধ্যাপক মিজানুর রহমান মজুমদার ও অধ্যক্ষ আকমল হোসেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম বিপ্লব এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহীনূর আলমসহ বিভিন্ন শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সরকারি পরীক্ষা আইন সংশোধনের কয়েকটি ধারা অসামঞ্জস্যপূর্ণ:বাকবিশিস

সরকারি পরীক্ষা আইন সংশোধনের কয়েকটি ধারা অসামঞ্জস্যপূর্ণ:বাকবিশিস

Update Time : 10:52:21 pm, Saturday, 8 August 2026

‘কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর’— বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের দাবি

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: আহমদ রেজা

সরকারি পরীক্ষাবিষয়ক সংশোধিত আইনের কয়েকটি ধারা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত কঠোর, অস্পষ্ট ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, প্রস্তাবিত আইনের কিছু কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ, শিক্ষকসমাজের পেশাগত মর্যাদা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সরকারি পরীক্ষা (অপরাধসমূহ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে আলোচনায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা তাদের উদ্বেগ ও মতামত তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাকবিশিস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর লিখিত বক্তব্যে বলেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সংশোধিত আইনে সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পূর্ববর্তী আইনের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা পুনর্বিন্যাস করা হলেও কয়েকটি বিধান ‘ডিউ প্রসেস অব ল’ এবং পেশাগত মূল্যায়নের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে প্রস্তাবিত কঠোর শাস্তির বিধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবন, পেশাগত মর্যাদা এবং শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেওয়া প্রয়োজন।

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ধারা ৩(ক)-এ ‘আইনগত কর্তৃপক্ষ’-এর সংজ্ঞা যথেষ্ট অস্পষ্ট। ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের বিধান যুক্তিসঙ্গত নয়। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল এবং শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রচলিত চাকরিবিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়াই যথেষ্ট বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ধারা ১০(ক)-এ উত্তরপত্র মূল্যায়নে অতিরিক্ত বা কম নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অথচ উত্তরপত্র মূল্যায়ন একটি পেশাগত ও একাডেমিক বিচারপ্রক্রিয়া। মূল্যায়নের ভুলকে সরাসরি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করলে শিক্ষকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পরীক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায়।

কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার দাবি

বাকবিশিসের সাধারণ সম্পাদক ধারা ৩(ক), ৪, ৫, ৬, ৮, ৯(ক), ১০(ক) ও ১৪ পুনর্বিবেচনা করে শাস্তির মেয়াদ এবং প্রয়োগের পরিধি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পরীক্ষা বাতিল এবং শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা দুর্ঘটনাজনিত ভুল এবং ইচ্ছাকৃত প্রতারণা বা জালিয়াতিমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সুস্পষ্ট আইনগত পার্থক্য নির্ধারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, আইনবিদ ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে আইনটি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

পাবলিক পরীক্ষানির্ভরতা কমানোর আহ্বান

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে ধারাবাহিক ও গঠনমূলক মূল্যায়ন পদ্ধতির দিকে শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি তোলেন তারা। বক্তাদের অভিযোগ, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় দেড় বছরেও শিক্ষা নিয়ে কোনো কমিশন গঠন করেনি। ফলে একটি অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনস্ক, বৈষম্যহীন, সর্বজনীন ও গণতান্ত্রিক শিক্ষা নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণের লক্ষ্যে দ্রুত একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন প্রয়োজন।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ এবং শিক্ষকসমাজের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে আইনটি চূড়ান্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পর্যালোচনার উদ্যোগ নেবে।

যারা বক্তব্য রাখেন

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. এম এম আকাশ, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ন হ ম আবু বকর, বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে খন্দকার সেলিম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)-এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. শামীম আল মামুন (জুয়েল), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, বাকবিশিস সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, প্রবীণ শিক্ষক নেতা আলী আহমদ, উন্নয়নকর্মী ও শিক্ষা গবেষক এনামূল হক, গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রতিনিধি শামসুন্নাহার কলি, বাকবিশিস নেতা অধ্যাপক মিজানুর রহমান মজুমদার ও অধ্যক্ষ আকমল হোসেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম বিপ্লব এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহীনূর আলমসহ বিভিন্ন শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।