
দুশ্চরিত্র আড়াল করতে নাটকীয় ভাবে জন্মদাতা পিতাকে খুন
ক্রাইম রিপোর্টার চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা
পিতার ভালোবাসার মূল্য পরিশোধ করতে মেয়েই ঘুমন্ত বাবার বুকে স্বজোরে আঘাত করে না ফেরার দেশে পাঠিয়ে দেয় মেয়েদের মন ও নীল আকাশ এর রং বুঝতে পারেনি পৃথিবীর কেউ।অভিনব ফিল্মীকায়দায় হত্যা করে নিজের ব্যাকতিত্ব্য প্রকাশ না করে রাজনীতি ভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই রকম ঘটনা খুব কমিটি ঘটে।
ছু”রির নিচে শুয়ে থাকা সেই মানুষ, তার নাম ছিল হারুনুর রশিদ(সাত্তার)। বয়স মাত্র ৫৮। গ্রামের মাটির ঘর থেকে সন্তানকে শহরে মানুষ করতে এসেছিলেন। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে মেয়ের ভবিষ্যতের জন্য রাতদিন খেটেছেন। ভেবেছিলেন—মেয়ে লিজা একদিন তার মুখ উজ্জ্বল করবে।
কিন্তু হারুনুর রশিদ (সাত্তার) এর সব স্বপ্ন, সব বিশ্বাস, সব ভালোবাসা একদিনে গলে নিঃশেষ হয়ে গেছে মেয়ের ছোঁড়া এক ছু”রির আ/ঘাতে।
লিজা ঢাকায় পড়তে আসে, হারুনুর রশিদ (সাত্তার) ভাড়া নেন ছোট একটা ফ্ল্যাট। কিছুদিন পর মেয়ে জানায়—তার দুই বান্ধবীও সাবলেট থাকতে চায়। বাবা কষ্ট করে রাজি হন, নিজের ঘর ছেড়ে ডাইনিং স্পেসে বিছানা পাতেন।
কারণ একটাই—মেয়ের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে মেয়ের আরাম নষ্ট হবেনা।
কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি দেখেন মেয়ের জীবনটা পাল্টে যাচ্ছে। নেশা করে রাত-বিরাতে বাসায় ফিরে আসা, এমনকি ঘরে বসেও ড্রাগস গ্রহণ করে।ম*দকদ্রব্য, সেবনের পর অদ্ভুত আচার-আচরণ—সবকিছু কষ্ট দিত অসহায় বাবা নামের বটবৃক্ষ হারুনুর রশিদ (সাত্তার) কে। মেয়েকে অনেক বার বোঝানোর চেষ্টা করেন। অনুরোধ করেন তার বান্ধবীদের বিদায় দিতে।
তাতে আরও বিপরীত প্রতিক্রিয়া হয়। মেয়ের চোখে তখন বাবাই যেন সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে পড়েছে তার বাবা।
একদিন তিনি এমন একটা দৃশ্য দেখে ফেলেন যা কোনো পিতা যেন কল্পনাও করতে না পারে—হারুনুর রশিদ সাত্তার এসব দৃশ্য আর মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছিলেন প্রমাণের জন্য, মেয়ে ও তার বান্ধবীরা এমন এক সম্পর্কে জড়িত যা সামাজিকভাবে গোপনীয়, কিন্তু নৈতিকভাবে ভেঙে দেওয়ার মতো। তিনি আর কিছু না বলে শুধু বলেন, “তোমাদের জীবন তোমাদের, কিন্তু আমার ঘরটা আমাকে দাও ফিরে।”
এই কথাতেই যেন আগুন লেগে যায় মেয়ের মাথায়।
একথা হয়তো আত্মীয়-স্বজনদের শেয়ারও করেছিলেন হারুন রশিদ সাত্তার।
কিন্তু কেউ এত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে চেষ্টা করেন নি কেউ বুঝতে চেষ্টা করেন নি বাবার এই নিরব কান্না মাথাই নেয়নি।
পিতা বুঝেছিলেন, মেয়ের পথ হারিয়ে ভুল পথে চলে গেছে। তাই থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন, যেন অন্তত ভবিষ্যতে কেউ মেয়েকে বোঝাতে পারে। কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে গেছে।
মেয়ে লিজা বুঝে যায়—বাবা এখন তার ‘লাইফস্টাইল’-এর জন্য সবচেয়ে বড় হু/মকি।
তাই পরিকল্পনা করে—সবচেয়ে নিরাপদ পথ,‘অপবাদ আর আবেগের নাটক’।
তাকে কেউ যেন দোষী না ভাবে—সে ব্যবস্থা নিয়ে নেয় আগেই।
এক দিন, ভোররাতে ছু*রি হাতে বাবার দিকে এগিয়ে যায় নিজের জন্মদাত্রী সন্তান। বারবার আ/ঘাত করে। মৃ*ত্যুর আগে বাবা শুধু বলেছিলেন,
মা “লিজা, আমি তোর ভালো চেয়েছিলাম…”
এরপর মেয়ে একটা নাটক সাজায়—সে নাকি বাবার শিকার। সমাজকে আবেগে ডুবিয়ে সে বলে, “আমার জন্য বিচার চাই!”
এর আগেও একবার বাবার নামে এমন মিথ্যা মামলা করেছিল, আদালতে প্রমাণ না মেলায় বাবা ছাড়া পেয়েছিলেন। এবার সে নিশ্চিত ছিল—এইবার কাজ হবে!
কিন্তু আজ তার বাবার লা*শ পড়ে আছে শহরের ম*র্গে। একটা লাল রঙা কম্বলে ঢাকা, ভেতরে আর নেই কোনো ভালোবাসা, নেই কোনো কান্না, নেই কোনো অভিমান।
হারুনুর রশিদ সাত্তার শুধু একজন বাবা ছিলেন। একজন সাহসী, নির্দোষ, একা মানুষ। যার একমাত্র দোষ—সে তার মেয়েকে ভালোবাসতো।
এই সমাজ কি কোনোদিন বুঝবে—দ্বীনি সুশিক্ষায় শিক্ষিত ও
পারিবারিক অনূপেরনায় আদর্শের অভাবে সব সন্তানই একদিন ভুল পথে পরিচালিত হতে পারে ভুল পথের বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করে, কোন শিশুই মায়ের কোলে জন্ম নেওয়া দেবতা হয় না? কখনো কখনো ওরা নিজেরাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে নি*র্মম নিষ্ঠুর অমানবিক মানুষ রূপে পশু।
তবে এই মেয়ের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে, বাবাকে খুlন করার পর সে বলেছিল তোমরা জামিন করিও।
তাতেই বুঝা যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র আমার দেশের তরুণীদের নষ্ট করার জন্য বিশাল একটি নীল নকশা একেঁছে।
আপনি নিউজ টি পড়ে একটা শেয়ার করে দিয়েন, আমার সকলের চেষ্টা ও সহযোগীতায় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া মানুষদের নিজের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলেও অন্তত অন্য আর একটা চোখের জলে বিদায় নেওয়া, অসহায় হারুনের মতো আরেক বাবাকে বাঁচাতে পারে।
বার্তা প্রেরক মোঃ সুলতান আহমেদ তালুকদার
সাভার
ক্রাইম রিপোর্টার চেতনায় মুক্তিযুদ্ধা 














