
অবৈধ ইটভাটার ধৌঁয়া ও ছাইয়ে অতিষ্ট কৃষক ও পথচারী নিরব স্থানীয় প্রশাসন
মোঃ আল আমিন মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের লেমুবাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে চালু রয়েছে বেশ কয়েকটি ইটভাটা ক্রমানুসারে, মেসার্স এমিকা ব্রিকস,একতা ব্রিকস, ও ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে মানিক গঞ্জের বাটবাউর এলাকায় স্থাপিত হয়েছে মেসার্স এ রহমান এন্ড কোং ব্রিকস, মেসার্স জার্মান এন্ড সন্স, ব্রিকস মেসার্স আব্দুল মালেক ব্রিকস ও সাটুরিয়া উপজেলার হর্গজ এলাকায় তিন ফসলি কৃষি জমিতে স্থাপিত মেসার্স যমুনা ব্রিকস এর কোন প্রকার অনুমোদন পত্র নেই বিএসটিআই সনদ, জেলাপ্রশাসক লাইসেন্সধারী না হয়েও ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে বৈধতা সনদ কপি ছাড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা ইটভাটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সচিবালয় থেকে অলিখিত অনুমতির দাপট দেখিয়ে চলছে অবৈধ ইটভাটা গুলো। অবৈধ স্থাপনায় এই ইটভাটা গুলোর কার্যক্রমের বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ কৃষক ও পথচারী, এলাকাবাসী লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে অবগত করা হয়েছে কিন্তু নিরব ভূমিকায় রয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তা বৃন্দ, প্রতি বছরই ঢিলেডালা অভিযান চালিয়ে দুএকটা ইটভাটার মালিক কে জরিমানা করার তথ্য পাওয়া যায় তবে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়ার বা উচ্ছেদ করা হয়নি। এছাড়া ইটভাটার মালিকরা পাশ্ববর্তী ফসলি জমির মালিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করার কথা বলে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জিম্মি করে রেখেছে, এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির, ক্ষতি পূর্ণ নাদিয়ে পরিবেশ দূষণ ও জনসাধারণের স্থাস্তের ক্ষতি রোধে জোড়ালু ভূমিকা রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছেন এলাকাবাসী। কৃষক ও কৃষি শ্রমিক গন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন দীর্ঘ দিন যাবৎ ধান রোপণ করতে ও কাঁটাতে শ্রমিকদের বেশী পারিশ্রমিক দিয়েও রাজি করানো যায় না কেন না ইটভাটার ধৌয়া ও ছাই, কৃষি শ্রমিকদের নাক, মুখে ও কানের মধ্যে ঢুকে যায় এবং বেশ কিছু কৃষি শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন হাসপাতালে,কেহ সাময়িকী চিকিৎসার করে জীবন যাপন করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির কোন প্রতিকার নেই। উল্টো হুমকি দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় একশ্রেণীর অসাধু নেতা কর্মীরা। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী ভূমি অফিসার, (এসি ল্যান্ড) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ এন ও) বলেন অবৈধ ইটভাটা গুলোর মালিক দের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত গতিতে আইনানুগ ব্যাবস্থা করা হবে। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড.ইউসুফ আলী বলেন অবৈধ ইটভাটা গুলোর তালিকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বরাদ দিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্বে থাকা সচিব এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, সচিব মহোদয়ের সিদ্ধান্ত পেলেই জেলাপ্রশাসক কের নির্দেশেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে আমরা স্বকৃয় ভূমিকা রাখতে পারবো বলে আশা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মোঃ আল আমিন 























