Dhaka 6:34 am, Monday, 29 June 2026

কোনাবাড়ি জেলখানা রোডে প্রতারণামূলক এলইডি লাইট বিক্রি, এলাকাবাসীর হাতে বিক্রেতা আটক

শাহিনুর ইসলাম সাহীন,বিশেষ প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কোনাবাড়ি জেলখানা রোডে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে নিম্নমানের এলইডি লাইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক বিক্রেতার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাত্র ৩০ টাকার লাইট ১০০ টাকায় বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। “কারেন্ট থাকলেও জ্বলে, কারেন্ট না থাকলেও জ্বলে” — এমন প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে প্রতারণার শিকার করা হচ্ছিল।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব লাইটে নিম্নমানের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। চার্জ দিলে ব্যাটারি ফুলে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে লাইট বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটে। বিজ্ঞাপনে দাবি করা হলেও যে লাইট ৩ ঘণ্টা জ্বলবে, বাস্তবে তা ১ ঘণ্টাও টেকে না।

রবিবার বিকেলে স্থানীয়রা প্রাইভেট কারসহ ওই প্রতারক বিক্রেতাকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর চাপে নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি নিজ হাতে বিক্রির সব লাইট ভেঙে ফেলেন।

এলাকাবাসী আরও জানিয়েছে, এই ধরনের লাইট বিক্রির কোনো অনুমোদন নেই। অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের এসব পণ্য জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। তারা প্রশাসনের কাছে এমন ভ্রাম্যমাণ প্রতারণামূলক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কোনাবাড়ি জেলখানা রোডে প্রতারণামূলক এলইডি লাইট বিক্রি, এলাকাবাসীর হাতে বিক্রেতা আটক

Update Time : 07:31:09 pm, Sunday, 14 September 2025

শাহিনুর ইসলাম সাহীন,বিশেষ প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কোনাবাড়ি জেলখানা রোডে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে নিম্নমানের এলইডি লাইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক বিক্রেতার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাত্র ৩০ টাকার লাইট ১০০ টাকায় বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। “কারেন্ট থাকলেও জ্বলে, কারেন্ট না থাকলেও জ্বলে” — এমন প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে প্রতারণার শিকার করা হচ্ছিল।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব লাইটে নিম্নমানের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। চার্জ দিলে ব্যাটারি ফুলে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে লাইট বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটে। বিজ্ঞাপনে দাবি করা হলেও যে লাইট ৩ ঘণ্টা জ্বলবে, বাস্তবে তা ১ ঘণ্টাও টেকে না।

রবিবার বিকেলে স্থানীয়রা প্রাইভেট কারসহ ওই প্রতারক বিক্রেতাকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর চাপে নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি নিজ হাতে বিক্রির সব লাইট ভেঙে ফেলেন।

এলাকাবাসী আরও জানিয়েছে, এই ধরনের লাইট বিক্রির কোনো অনুমোদন নেই। অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের এসব পণ্য জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। তারা প্রশাসনের কাছে এমন ভ্রাম্যমাণ প্রতারণামূলক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।