Dhaka 7:55 pm, Tuesday, 28 April 2026

ন্যায় বিচারের বার্তা প্রতিষ্ঠায় জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা

বিশেষ প্রতিবেদক মো.আরফান আলী:-
‘সরকারী খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে সামনে রেখে ঠাকূরগাঁওয়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকালে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে ফিতা কাটা ও বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেণ কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেন।

পরে কোর্ট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে লিগ্যাল এইড মেলা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, আলোচনা সভা এবং সেরা প্যানেল আইনজীবী সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী এবং লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেণ সিভিল জজ মো. মাহামুদুল হোসেন মুন্না।

এ বছর সেরা প্যানেল আইনজীবী নির্বাচিত হন ললিত কুমার রায় ও মাসুদা পারভিন ইভা। অনুষ্ঠানে তাদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। আদালত চত্বরে চারটি স্টলে লিগ্যাল এইড সংক্রান্ত সেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়।

জেলার পাঁচটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আইনী সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভা ও মতবিনিময় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

লিগ্যাল এইড অফিসার মজনু মিয়া বলেন, আর্থিক কারণে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে এডিআরের মাধ্যমে দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রম সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এ সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেন বলেন, অর্থের অভাবে কেউ যেন বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই লিগ্যাল এইডের মূল লক্ষ্য। বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিবাদ

ন্যায় বিচারের বার্তা প্রতিষ্ঠায় জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা

Update Time : 04:22:57 pm, Tuesday, 28 April 2026

বিশেষ প্রতিবেদক মো.আরফান আলী:-
‘সরকারী খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে সামনে রেখে ঠাকূরগাঁওয়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকালে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে ফিতা কাটা ও বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেণ কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেন।

পরে কোর্ট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে লিগ্যাল এইড মেলা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, আলোচনা সভা এবং সেরা প্যানেল আইনজীবী সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী এবং লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেণ সিভিল জজ মো. মাহামুদুল হোসেন মুন্না।

এ বছর সেরা প্যানেল আইনজীবী নির্বাচিত হন ললিত কুমার রায় ও মাসুদা পারভিন ইভা। অনুষ্ঠানে তাদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। আদালত চত্বরে চারটি স্টলে লিগ্যাল এইড সংক্রান্ত সেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়।

জেলার পাঁচটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আইনী সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভা ও মতবিনিময় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

লিগ্যাল এইড অফিসার মজনু মিয়া বলেন, আর্থিক কারণে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে এডিআরের মাধ্যমে দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রম সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এ সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ জামাল হোসেন বলেন, অর্থের অভাবে কেউ যেন বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই লিগ্যাল এইডের মূল লক্ষ্য। বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।