Dhaka 11:54 pm, Wednesday, 17 June 2026

তিন কি:মি: খাল ভরাট চাঁচড়া ইউপির ১০ গ্রামের ফসল ডুবির দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:18:41 pm, Wednesday, 17 June 2026
  • 2 Time View

মালিকুজ্জামান কাকা: যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন। একটি খাল মাটিতে ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাসন বন্ধ। এ কারণে ফসল নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় কৃষকসহ আপামর মানুষ। বুড়োর খালের ব্রিজ হতে কালাবাঘা পর্যন্ত তিন কিলোমিটার খালটি নিয়েই চাষী এখন বেজায় পেরেশান। মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়া খাল খনন এলাকাবাসীর দাবি।
মাহিদিয়া, রূপদিয়া, ভাতুড়িয়া, বর্মনপাড়া, তফসিডাঙ্গা, বেড়বাড়ি, জিয়ার খাল মাঠ, চাঁচড়া, তফসীডাঙ্গা বেরেঘাটা বেড়বাড়ি গ্রাম এলাকার মাঠের পানি ঐ খাল দিয়ে নিষ্কাসন হয়। প্রায় ১০ হাজার বিঘা তিন ফসলের উর্বরী জমি আছে খাল কেন্দ্রিক মাঠে।
কিছু উদ্দেশ্যহীন ঘের পানি সমস্যাকে আরো তীব্র করেছে। এখনো কালা বাঘায় ঘের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পানি নিষ্কাসন বন্ধ। সামান্য বৃষ্টি হলেই ফসল ও ঘর বাড়ি ডুবে যায়। মুক্তশ্যরী নদীতে যোগ। সখিনা মেডিকেল কলেজের দক্ষিণে মিলেছে। খালটি জিয়া খালে মিলেছে বর্মন পাড়ায়। জিয়া খালে মিলেছে কিন্তু খাল খনন না হওয়ায় সমস্যা আরো তীব্র বা গাড় আকার ধারণ করেছে।
মাহিদিয়ার সাহেব আলী, নূর হোসেন, সাইফুল, সাহাবুদ্দিন, আজিজ মিস্ত্রী, আমিনুর, জাফর সেখ, মোসারেফ, ইসমাইল, বদর, মিজান ডাক্তার, ইজাহার আলী খা, সেলিম, পিরো, মনিরুল, আমিনুর ২, সাদেক আলী, আনোয়ার হোসেন, লুৎফর সেখ, সামাদ, ওমর আলী মিস্ত্রী, শাহীন, ডাক্তার সাবু, লাবু, আসাদুর, আবু হাসান, সাদেক ২, হুসাইন, আল রাজী, আবু নাছোর, বদর, ইসমাইল, সোহাগ, কুদ্দুস, হারুন মিন্টু, সোবহান মিস্ত্রী, জালাল, নূর ইসলাম খোকন, নিজাম খা, আসানুর ফসলি জমির মালিক। এরা এখন চোখে সর্ষে ফুল দেখছে। শঙ্কার কথা জানালেন। এখন বর্ষাকাল তাই দুশ্চিন্তা আরো বেশি। ধান ছাড়াও তরি তরকারি চাষ হয় উর্বর এসব জমিতে।
রূপদিয়র গোপাল, মনোজ, দিপঙ্কর, অরবিন্দু, আনন্দ মাস্টার, কালিদাস, হিমাংশু, পরমাংশু, রাম, অনাদি, ফেন্তূ, মহিতোষ, খোকন, সরজিৎ, রবিন, উপার ফসলি জমি রয়েছে।
বেড়বাড়ি জাহিদ হাসানসহ সহস্র বিঘা জমির ফসল নিয়ে চাষীর দুশ্চিন্তা। এখানকার চাষীরা গতবার এই বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যায় ফসলহানি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মাহিদিয়া গ্রামবাসী বলেন, সামান্য পানি হলেই খাল বন্ধ তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মূলত তিন কিলোমিটার খালটি খনন করা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে। চাষী জমি
ভাতুড়িয়ার সার ব্যাবসায়ী রাজ্জাক, সেলিম, ফিরোজ, নুরু মহুরি, সোহাগের জমির ফসল হুমকির মধ্যে।
মাহিদিয়ার জমি মালিক নূর হোসেন বলেন, মাত্র তিন কিলোমিটার খালটি যদি খনন করা হয় পানি সরে যাবে। এতে ফসল ডুবে যাবে না। এলাকার তাবৎ মানুষ খাল খনন চাইছে।
চাষীরা খাল খননে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা এজন্য যশোরের জেলা প্রশাসকের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন যাতে খালটি যথাযথ খনন হয়। এতে পানি বদ্ধতা নিরসন হবে। চাষী হবে দুশ্চিন্তা মুক্ত। ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পুলিশ কর্মকর্তার খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ওসি জাহিদের

তিন কি:মি: খাল ভরাট চাঁচড়া ইউপির ১০ গ্রামের ফসল ডুবির দুশ্চিন্তায় কৃষক

Update Time : 07:18:41 pm, Wednesday, 17 June 2026

মালিকুজ্জামান কাকা: যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন। একটি খাল মাটিতে ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাসন বন্ধ। এ কারণে ফসল নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় কৃষকসহ আপামর মানুষ। বুড়োর খালের ব্রিজ হতে কালাবাঘা পর্যন্ত তিন কিলোমিটার খালটি নিয়েই চাষী এখন বেজায় পেরেশান। মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়া খাল খনন এলাকাবাসীর দাবি।
মাহিদিয়া, রূপদিয়া, ভাতুড়িয়া, বর্মনপাড়া, তফসিডাঙ্গা, বেড়বাড়ি, জিয়ার খাল মাঠ, চাঁচড়া, তফসীডাঙ্গা বেরেঘাটা বেড়বাড়ি গ্রাম এলাকার মাঠের পানি ঐ খাল দিয়ে নিষ্কাসন হয়। প্রায় ১০ হাজার বিঘা তিন ফসলের উর্বরী জমি আছে খাল কেন্দ্রিক মাঠে।
কিছু উদ্দেশ্যহীন ঘের পানি সমস্যাকে আরো তীব্র করেছে। এখনো কালা বাঘায় ঘের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পানি নিষ্কাসন বন্ধ। সামান্য বৃষ্টি হলেই ফসল ও ঘর বাড়ি ডুবে যায়। মুক্তশ্যরী নদীতে যোগ। সখিনা মেডিকেল কলেজের দক্ষিণে মিলেছে। খালটি জিয়া খালে মিলেছে বর্মন পাড়ায়। জিয়া খালে মিলেছে কিন্তু খাল খনন না হওয়ায় সমস্যা আরো তীব্র বা গাড় আকার ধারণ করেছে।
মাহিদিয়ার সাহেব আলী, নূর হোসেন, সাইফুল, সাহাবুদ্দিন, আজিজ মিস্ত্রী, আমিনুর, জাফর সেখ, মোসারেফ, ইসমাইল, বদর, মিজান ডাক্তার, ইজাহার আলী খা, সেলিম, পিরো, মনিরুল, আমিনুর ২, সাদেক আলী, আনোয়ার হোসেন, লুৎফর সেখ, সামাদ, ওমর আলী মিস্ত্রী, শাহীন, ডাক্তার সাবু, লাবু, আসাদুর, আবু হাসান, সাদেক ২, হুসাইন, আল রাজী, আবু নাছোর, বদর, ইসমাইল, সোহাগ, কুদ্দুস, হারুন মিন্টু, সোবহান মিস্ত্রী, জালাল, নূর ইসলাম খোকন, নিজাম খা, আসানুর ফসলি জমির মালিক। এরা এখন চোখে সর্ষে ফুল দেখছে। শঙ্কার কথা জানালেন। এখন বর্ষাকাল তাই দুশ্চিন্তা আরো বেশি। ধান ছাড়াও তরি তরকারি চাষ হয় উর্বর এসব জমিতে।
রূপদিয়র গোপাল, মনোজ, দিপঙ্কর, অরবিন্দু, আনন্দ মাস্টার, কালিদাস, হিমাংশু, পরমাংশু, রাম, অনাদি, ফেন্তূ, মহিতোষ, খোকন, সরজিৎ, রবিন, উপার ফসলি জমি রয়েছে।
বেড়বাড়ি জাহিদ হাসানসহ সহস্র বিঘা জমির ফসল নিয়ে চাষীর দুশ্চিন্তা। এখানকার চাষীরা গতবার এই বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যায় ফসলহানি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মাহিদিয়া গ্রামবাসী বলেন, সামান্য পানি হলেই খাল বন্ধ তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মূলত তিন কিলোমিটার খালটি খনন করা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে। চাষী জমি
ভাতুড়িয়ার সার ব্যাবসায়ী রাজ্জাক, সেলিম, ফিরোজ, নুরু মহুরি, সোহাগের জমির ফসল হুমকির মধ্যে।
মাহিদিয়ার জমি মালিক নূর হোসেন বলেন, মাত্র তিন কিলোমিটার খালটি যদি খনন করা হয় পানি সরে যাবে। এতে ফসল ডুবে যাবে না। এলাকার তাবৎ মানুষ খাল খনন চাইছে।
চাষীরা খাল খননে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা এজন্য যশোরের জেলা প্রশাসকের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন যাতে খালটি যথাযথ খনন হয়। এতে পানি বদ্ধতা নিরসন হবে। চাষী হবে দুশ্চিন্তা মুক্ত। ।