Dhaka 5:12 am, Wednesday, 29 April 2026

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেললেন চেয়ারম্যান

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেললেন চেয়ারম্যান

রিকি শেখ গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 

আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙে ফেললেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার।
প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল আবু ছাইদ শিকদার।

রোববার (২৭ এপ্রিল) সকালে পিঞ্জুরী ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা গ্রামে আবু ছাইদ শিকদারের বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ে ইট,বালু, সিমেন্ট ও রড দিয়ে নির্মিত নৌকা ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলেন। নৌকা ভাস্কর্যটি ভাঙ্গার সময় চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় পুরো উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বইছে।
জানাগেছে, উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার তার বাড়ির সামনের পুকুর পাড়ে কয়েক বছর আগে ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড দিয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন নৌকা ভাস্কর্য নির্মিত করেন। রোববার সকালে আবু ছাইদ শিকদার লোকজন দিয়ে এই দৃষ্টিনন্দন নৌকা ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলেন।
পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মুক্তা বলেন, আবু সাইদ শিকদার দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আবু সাইদ শিকদারের মামা প্রয়াত সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লার প্রভাব খাটিয়ে পিঞ্জুরী ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি ব্যাপক দূর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন আওয়ামী লীগের এই দুর্দিনে এসে আবু সাইদ শিকদারের এমন কান্ডে আমরা হতভাগ হয়েছে। আমরা এই নৌকা ভাস্কর্য ভাঙ্গার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে আবু ছাইদ শিকদার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যার দল করি, সে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পালিয়ে গেছে। আদর্শ্যচ্যুত হয়েছে, তাই পালিয়েছে। ওই দল আর আমি করবো না। সে আসলেও আওয়ামী লীগ আর করবো না। তাই নৌকা ফলক ভেঙে ফেলেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

​গড়েয়া স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল খালেকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেললেন চেয়ারম্যান

Update Time : 12:54:54 am, Monday, 28 April 2025

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেললেন চেয়ারম্যান

রিকি শেখ গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 

আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে নৌকা ভাস্কর্য ভেঙে ফেললেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার।
প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল আবু ছাইদ শিকদার।

রোববার (২৭ এপ্রিল) সকালে পিঞ্জুরী ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা গ্রামে আবু ছাইদ শিকদারের বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ে ইট,বালু, সিমেন্ট ও রড দিয়ে নির্মিত নৌকা ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলেন। নৌকা ভাস্কর্যটি ভাঙ্গার সময় চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় পুরো উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বইছে।
জানাগেছে, উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান আবু ছাইদ শিকদার তার বাড়ির সামনের পুকুর পাড়ে কয়েক বছর আগে ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড দিয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন নৌকা ভাস্কর্য নির্মিত করেন। রোববার সকালে আবু ছাইদ শিকদার লোকজন দিয়ে এই দৃষ্টিনন্দন নৌকা ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলেন।
পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মুক্তা বলেন, আবু সাইদ শিকদার দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পিঞ্জুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আবু সাইদ শিকদারের মামা প্রয়াত সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লার প্রভাব খাটিয়ে পিঞ্জুরী ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি ব্যাপক দূর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন আওয়ামী লীগের এই দুর্দিনে এসে আবু সাইদ শিকদারের এমন কান্ডে আমরা হতভাগ হয়েছে। আমরা এই নৌকা ভাস্কর্য ভাঙ্গার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে আবু ছাইদ শিকদার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যার দল করি, সে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পালিয়ে গেছে। আদর্শ্যচ্যুত হয়েছে, তাই পালিয়েছে। ওই দল আর আমি করবো না। সে আসলেও আওয়ামী লীগ আর করবো না। তাই নৌকা ফলক ভেঙে ফেলেছি।