
মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং প্রতিনিধি:-
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সাম্প্রতিক গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে জনমনে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পড়েছে মারাত্মক চাপে।
সম্প্রতি সরকার নির্ধারিত এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাজারে এর প্রভাব আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে প্রায় ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১,৭২৮ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্যবৃদ্ধি �।
বাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। অনেক এলাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৯০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে �। এতে করে বুড়িচংয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
জনমনে ক্ষোভ ও হতাশা
উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গৃহিণী থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ী—সবাই এই মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ।
এক গৃহিণী জানান, “আগে যেখানে মাসে একবার গ্যাস কিনতে পারতাম, এখন সেটাও কষ্টকর হয়ে গেছে।”
একজন হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, “গ্যাসের দাম বাড়ায় রান্নার খরচ দ্বিগুণ হয়েছে, ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন �
মূল্যবৃদ্ধির কারণ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবেই দেশে গ্যাসের দাম বাড়ছে �।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে মনিটরিং দুর্বল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। প্রশাসনের তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সাধারণ মানুষের দাবি
গ্যাসের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা
বাজারে কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করা
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকি চালু করা।
বুড়িচংয়ে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি এখন শুধু একটি অর্থনৈতিক ইস্যু নয়, বরং এটি জনজীবনের বড় সংকটে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোঃ আব্দুল্লাহ 

















