
জামাল উদ্দীন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:-
কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় পৃথক অভিযানে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একাধিক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। একই সঙ্গে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব-১৫ এর অভিযান
র্যাব-১৫,সিপিএসসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাতে টেকনাফ মডেল থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
প্রথম অভিযানে হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী এলাকায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি মো. আইয়ুব (৫৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সিএমপি সদরঘাট থানার একটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন।
অন্যদিকে একই রাতে পৌরসভার ‘উপরের বাজার’ এলাকায় আরেকটি অভিযানে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি টেকনাফের একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিজিবির অভিযান
অন্যদিকে, উখিয়ার হোয়াইক্যং চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় হ্নীলা থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি চেকপোস্টে পৌঁছালে কর্তব্যরত সদস্যরা থামার সংকেত দিলে চালক পালানোর চেষ্টা করে। পরে ব্লকার ব্যবহার করে গাড়িটি থামানো হয়।
এ সময় সিএনজি চালক মোহাম্মদ হামিদ (৩৯)-কে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার সিটের ভেতর থেকে একটি ৯ মি.মি. পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিনি এক রোহিঙ্গা ডাকাতের কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে পালংখালী এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
বিজিবি জানিয়েছে, মাদক, চোরাচালান ও অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপসংহার
কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে মাদক ও অস্ত্র সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জামাল উদ্দিন 


















