Dhaka 1:37 am, Friday, 26 June 2026

পশ্চিমবঙ্গ সরকার – দি বেঙ্গল ফাইল- ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখাতে না দেওয়ায়, প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল

আজ ১৮ ই আগস্ট সোমবার, ঠিক বিকেল চারটায়, জয় মা কালী ধর্ম সেনার উদ্যোগে এবং কালী খটিকের নেতৃত্বে কয়েকশো ধর্ম সেনার সদস্যরা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে, এবং দি বেঙ্গল ফাইল- ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখাতে না দেওয়াই , বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করলেন। নিউ মার্কেট থেকে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং হয়ে লেলিন মুক্তির সামনে এসে মিছিল শেষ করে একটা প্রতিবাদ সভা করলেন।

এই সবাই উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির তমঘ্ন ঘোষ, কালী খটিক সহ জয় মা কালী ধর্ম সেনার কর্মকর্তারা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এই ছবিটি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন এবং এই ছবির ভেতরে কি আছে , সে সম্পর্কে তিনি না জেনে, ছবিটিকে প্রশাসনের অফিসার কে দিয়ে বন্ধ করিয়ে দিয়েছেন।, পরিচালক ছবিটি ট্রেলার দেখানোর জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে প্রশাসনের অফিসারেরা ছবিটি দেখাতে দেননি। সেন্সার বোর্ডের পারমিশন থাকা সত্ত্বেও কেন ছবিটি দেখতে দেয়া হলো না এই নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ চলছে।

তাহারা বলেন এক দেশে দুটি সংবিধান এবং দুটি আইন কখনো কাজ করে না, তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী শাসন চলবে না, কিন্তু কান খুলে একটা কথা জেনে রাখা দরকার, আপনি প্রেক্ষাগৃয়ে না দেখতে দেন, ওটিপি আটকাতে পারবেন না, উনার আটকানোর ক্ষমতা নাই, সকলের মোবাইলে মোবাইলে ছবিটি ঘুরবে, এখন আপনি কি করে আটকান আমরাও দেখতে চাই,

পিসি ভাইপো সরকারের জোর জবরদস্ত খাটিয়ে এইভাবে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নামিয়ে আনছে একের পর এক, কিন্তু আমরা চুপ করে থাকব না।, দরকার পড়লে আমরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে ট্রেলার দেখাবো।

আপনি যদি মনে করেন, কখনো চলচ্চিত্র আটকাবেন ,কখনো মানুষের কন্ঠ আটকাবেন, কখনো কারো প্রতিবাদ আটকাবেন, কেউ প্রতিবাদ জানালে তাকে জেলে বন্দি করে রাখবেন, তবুও কারো কণ্ঠস্বর বন্ধ করতে পারবেন না, আর একটা কথা জেনে রাখবেন, সি বি এম বি আপনার আইনের মধ্যে পড়ে না। তাই আপনি কিছুই আটকে রাখতে পারবেন না। আপনি চাইছেন, পশ্চিমবঙ্গ কে বাংলাদেশ বানাতে, আবার বাংলাদেশ তৈরি হোক, পাকিস্তান তৈরি হোক, আমরা হতে দেব না।

আপনি ভয় পেয়ে, ছবিটির মধ্যে কি আছে না জেনে, জোরপূর্বক আটকেছেন, বিভেদের রাজনীতি তৈরি করতে চাইছেন, কারণ মানুষের মনে ভুল বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন,

তাই সবার জেনে রাখা দরকার ছবিটির মধ্যে রয়েছে, ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট এর ঘটনা, যেদিন বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছিল, তবুও পাকিস্তান হতে দেয়নি।, পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল, সেই গোপাল মুখোপাধ্যায় ,শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর প্রচেষ্টা ও আন্দোলনে আজ পশ্চিমবঙ্গ স্বাধীন হয়েছিল,কিন্তূ আপনি তাকে অপমান করছেন, আপনি যতই চেষ্টা করুন পশ্চিমবঙ্গ কোনদিন বাংলাদেশ হতে পারবে না। হতে দেব না,
তাই সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও সকল সংখ্যালঘু, সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে একটাই বার্তা, সবাই এগিয়ে আসুন, পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করি, আমরা রুখে দাঁড়াই,

তাই আজ আমরা, জাতীয় পতাকা ও শ্রীরামের পতাকা নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছি, জয় আমাদের হবেই, দি বেঙ্গল ফাইল—- সবাই দেখতে পাবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আটকে রাখতে পারবেনা, সত্যিটা সাধারণ মানুষ জানতে পারবে। কিভাবে এই পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল। কাদের আত্ম বলিদানে, কারা শহীদ হয়েছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মহাদেবপুরে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট, অনিয়মে জরিমান

পশ্চিমবঙ্গ সরকার – দি বেঙ্গল ফাইল- ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখাতে না দেওয়ায়, প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল

Update Time : 10:48:07 pm, Monday, 18 August 2025

আজ ১৮ ই আগস্ট সোমবার, ঠিক বিকেল চারটায়, জয় মা কালী ধর্ম সেনার উদ্যোগে এবং কালী খটিকের নেতৃত্বে কয়েকশো ধর্ম সেনার সদস্যরা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে, এবং দি বেঙ্গল ফাইল- ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখাতে না দেওয়াই , বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করলেন। নিউ মার্কেট থেকে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং হয়ে লেলিন মুক্তির সামনে এসে মিছিল শেষ করে একটা প্রতিবাদ সভা করলেন।

এই সবাই উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির তমঘ্ন ঘোষ, কালী খটিক সহ জয় মা কালী ধর্ম সেনার কর্মকর্তারা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এই ছবিটি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন এবং এই ছবির ভেতরে কি আছে , সে সম্পর্কে তিনি না জেনে, ছবিটিকে প্রশাসনের অফিসার কে দিয়ে বন্ধ করিয়ে দিয়েছেন।, পরিচালক ছবিটি ট্রেলার দেখানোর জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে প্রশাসনের অফিসারেরা ছবিটি দেখাতে দেননি। সেন্সার বোর্ডের পারমিশন থাকা সত্ত্বেও কেন ছবিটি দেখতে দেয়া হলো না এই নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ চলছে।

তাহারা বলেন এক দেশে দুটি সংবিধান এবং দুটি আইন কখনো কাজ করে না, তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী শাসন চলবে না, কিন্তু কান খুলে একটা কথা জেনে রাখা দরকার, আপনি প্রেক্ষাগৃয়ে না দেখতে দেন, ওটিপি আটকাতে পারবেন না, উনার আটকানোর ক্ষমতা নাই, সকলের মোবাইলে মোবাইলে ছবিটি ঘুরবে, এখন আপনি কি করে আটকান আমরাও দেখতে চাই,

পিসি ভাইপো সরকারের জোর জবরদস্ত খাটিয়ে এইভাবে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নামিয়ে আনছে একের পর এক, কিন্তু আমরা চুপ করে থাকব না।, দরকার পড়লে আমরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে ট্রেলার দেখাবো।

আপনি যদি মনে করেন, কখনো চলচ্চিত্র আটকাবেন ,কখনো মানুষের কন্ঠ আটকাবেন, কখনো কারো প্রতিবাদ আটকাবেন, কেউ প্রতিবাদ জানালে তাকে জেলে বন্দি করে রাখবেন, তবুও কারো কণ্ঠস্বর বন্ধ করতে পারবেন না, আর একটা কথা জেনে রাখবেন, সি বি এম বি আপনার আইনের মধ্যে পড়ে না। তাই আপনি কিছুই আটকে রাখতে পারবেন না। আপনি চাইছেন, পশ্চিমবঙ্গ কে বাংলাদেশ বানাতে, আবার বাংলাদেশ তৈরি হোক, পাকিস্তান তৈরি হোক, আমরা হতে দেব না।

আপনি ভয় পেয়ে, ছবিটির মধ্যে কি আছে না জেনে, জোরপূর্বক আটকেছেন, বিভেদের রাজনীতি তৈরি করতে চাইছেন, কারণ মানুষের মনে ভুল বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন,

তাই সবার জেনে রাখা দরকার ছবিটির মধ্যে রয়েছে, ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট এর ঘটনা, যেদিন বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছিল, তবুও পাকিস্তান হতে দেয়নি।, পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল, সেই গোপাল মুখোপাধ্যায় ,শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর প্রচেষ্টা ও আন্দোলনে আজ পশ্চিমবঙ্গ স্বাধীন হয়েছিল,কিন্তূ আপনি তাকে অপমান করছেন, আপনি যতই চেষ্টা করুন পশ্চিমবঙ্গ কোনদিন বাংলাদেশ হতে পারবে না। হতে দেব না,
তাই সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও সকল সংখ্যালঘু, সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে একটাই বার্তা, সবাই এগিয়ে আসুন, পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করি, আমরা রুখে দাঁড়াই,

তাই আজ আমরা, জাতীয় পতাকা ও শ্রীরামের পতাকা নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছি, জয় আমাদের হবেই, দি বেঙ্গল ফাইল—- সবাই দেখতে পাবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আটকে রাখতে পারবেনা, সত্যিটা সাধারণ মানুষ জানতে পারবে। কিভাবে এই পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল। কাদের আত্ম বলিদানে, কারা শহীদ হয়েছিলেন।