
স্টাফ রিপোর্টার-
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার রামরামা গ্রামে একটি খাস পুকুরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে রক্তাক্ত জখম হয়েছেন তিনজন। একপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম খোকন। মঙ্গলবার ১৬ আগস্ট বিকেল চার’ টার দিকে উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের জলপাইতলা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে । গুরুতর আহতরা হলে শহিদুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম ও রায়হান ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুকুরটি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের উন্নয়ন কাজে ব্যয় হত। উক্ত পুকুরের মধ্যে মসজিদের নিজস্ব ৮ শতাংশ জমিজমা রয়েছে বলে সূত্র জানায় গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে দখল চেষ্টা করা হলে মসজিদের মুসল্লি শহিদুল ইসলাম, রায়হান খাঁ, আশরাফ বাধা প্রদান করেন।
মসজিদ কমিটির সভাপতি ই য়াচিন খাঁ ও রায়হান বলেন, এই পুকুরটি মসজিদে নামে লিজ নেয়া ছিল। গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম খোকন সহ তার ভাই, ভাতিজা, সহযোগী নিয়ে বার বার দখলের চেষ্টা করেন। পরে এটি সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মাধ্যমে সমাধান করার কথা থাকলেও তা না করে জবর দখলের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়। এতে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এবং গ্রামবাসী বাধা দেয়। তারই জেরে দেশীয় অস্ত্রপাতি নিয়ে আমাদের আক্রমণ করে এবং পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন।
এ ঘটনায় আহত শহিদুল ইসলাম, রায়হান খাঁ, আশরাফ সহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। গুরুতর আহত তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে । তাঁরা চিকিৎসাধীন।
গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম খোকনকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলামের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার- 

















