Dhaka 2:28 pm, Tuesday, 11 August 2026

বিচারহীনতার ৯৬ ঘণ্টা: উল্টো মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মায়ের আকুতি

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:20:41 pm, Tuesday, 11 August 2026
  • 6 Time View

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী

সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবিরের ওপর নৃশংস হামলার ৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। উল্টো আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক নেতার পরিবারের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে—এমন অভিযোগ এনে এর তীব্র প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগরীতে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২ আগস্ট রাজশাহীর শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এবং নিজ বাসগৃহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ফটোসাংবাদিক আবির হোসেন, তাঁর পরিবার এবং দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ও রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। অথচ ঘটনার ৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত সন্ত্রাসী হীরা ও হেলালসহ প্রধান আসামিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এর মধ্যে আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিতু পরিচালনায় এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহম্মেদ রেন্টুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা।

মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক নেতার মা আফরোজা বেগম তাঁর বুকফাটা আর্তনাদ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ছেলেটা সাংবাদিকতার পাশাপাশি দলের আর্দশ্য বুকে ধারণ করে চলে। দীর্ঘ আওয়ামী স্বৈরাচারী আমলে আমার আবিরসহ পুরো পরিবার কত যে নির্যাতন আর নিপীড়ন সহ্য করেছে, তা কেবল একমাত আল্লাহই জানেন! আজ শেখ হাসিনার পতনের পরও সেই আওয়ামী লীগের হীরা বাহিনী ফের আমাদের ওপর দানবের মতো চড়াও হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ জুলাই সংবাদ প্রকাশের জেরে হায়েনারা আমার বাড়িতে হামলা চালায়। সেদিন তারা আমাকে, আমার মেয়ে কারিমা আর আমার ছোট্ট ৯ বছরের শিশু ছেলে আব্রাহামকে জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।। খবর পেয়ে আমার বড় ছেলে আবির তার জ্যেষ্ঠ সহকর্মী সাংবাদিক সম্রাটকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সাথে সাথেই সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সম্রাট ভাই সেদিন রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন, আর আমার সন্তানরাও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছিল।”

সন্তানের বুকভাঙ্গা কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এলাকাবাসীর সহায়তায় আমরা সেদিন আমার দুই ছেলে আবির, আব্রাহাম, মেয়ে কারিমা আর সাংবাদিক সম্রাটকে অসচেতন ও রক্তত্ব অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারির ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি। সেইদন রাত ৩টা পর্যন্ত সাংবাদিক সম্রাট ভায়ের ঙ্গান ফিরে নি। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঙ্গান ফিরে। আমার ছেলে আব্রহাম হাসপাতালের বেডে ভুলভাগ কথা বলছিল। আমার ছেলেও অবস্থা দেখে আমার হৃদয়ে বার বার কম্পিতি হচ্ছিল, আল্লাহর কাছে বার বার দোওয়া করছিলাম আল্লাহ আমার ছোট ছেলে আব্রহাম কে তুমি বাচিয়ে নেও। আর অপর বেডে আমার বড় ছেলে আবির শেখ ব্যথায় কাতরাতে ছিল। তার পায়ে হাতে জিআই পাইপ দিয়ে থেতলিয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসীরা। আমরা দুই ছেলের এমন নাযুক অবস্থায় আমরা চোখে বার বার পানি চলে আসছিল। আর সাংবাদিক সম্রাটের করুণ অবস্থা দেখে নিজেকে অনেক দোষী মনে হচ্ছিল। ইস আজ এই ছেলেটা আমাদের জন্য এমন অবস্থা হয়েছে। আল্লাহ তুমি তাকে বাচিয়ে নেও।

তিনি আরও কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, সেইদিন আমাদের এমন নাজুক অবস্থায়, আমরা কিভাবে আরেক মায়ের সন্তানকে মারতে যেতে পারি আপনারাই বলেন?

তিনি আরএমপি পুলিশ কমিশনারের কাছে আকুতি নিয়ে বলেন, আমার ছেলে যদি অপরাধী হয়, সাংবাদিকতা করে যদি অপরাধি হয়, তবে তার সবর্োচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেন, আর যদি আমার ছেলে আবির ও সাংবাদিক সম্রাট অপরাধী না হয় তবে আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

আজ একজন মা ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনার কাছে আমার সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট দাবি—আমাদের পরিবার এবং আমার সাংবাদিক সন্তানদের ওপর বর্বরোচিত হামলাকারী চিহ্নিত ও হীরা-হেলালের মতো আওয়ামী দোসর সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসুন। শুধু তাই নয়, যারা আমাদের কুপিয়ে জখম করেছে, আজ উল্টো তারাই জামিনে বেরিয়ে এসে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের কোণঠাসা করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার সন্তান ও আমার পরিবারের ওপর হওয়া এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার চাই আমি। স্বাধীন দেশের মাটিতে দলীয় পরিচয়ের ছায়াতলে থেকে আর কোনো মা যেন তার সন্তানকে নিয়ে এভাবে অনিরাপদ বোধ না করে এবং মিথ্যা মামলার যাতাকলে পিষ্ট না হয়—তার অভিভাবক হিসেবে আমি আপনার সরাসরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার কামনা করছি।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গোদাগাড়ীতে ৪০০ বোতল ‘এসকাফ’ উদ্ধারের দাবি পুলিশের: ঘুষ বাণিজ্য, নাটক সাজানো ও এএসআই মাহবুবের দিকে আঙুল

বিচারহীনতার ৯৬ ঘণ্টা: উল্টো মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মায়ের আকুতি

Update Time : 01:20:41 pm, Tuesday, 11 August 2026

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী

সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবিরের ওপর নৃশংস হামলার ৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। উল্টো আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক নেতার পরিবারের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে—এমন অভিযোগ এনে এর তীব্র প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগরীতে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২ আগস্ট রাজশাহীর শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এবং নিজ বাসগৃহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ফটোসাংবাদিক আবির হোসেন, তাঁর পরিবার এবং দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ও রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। অথচ ঘটনার ৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত সন্ত্রাসী হীরা ও হেলালসহ প্রধান আসামিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এর মধ্যে আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিতু পরিচালনায় এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহম্মেদ রেন্টুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা।

মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক নেতার মা আফরোজা বেগম তাঁর বুকফাটা আর্তনাদ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ছেলেটা সাংবাদিকতার পাশাপাশি দলের আর্দশ্য বুকে ধারণ করে চলে। দীর্ঘ আওয়ামী স্বৈরাচারী আমলে আমার আবিরসহ পুরো পরিবার কত যে নির্যাতন আর নিপীড়ন সহ্য করেছে, তা কেবল একমাত আল্লাহই জানেন! আজ শেখ হাসিনার পতনের পরও সেই আওয়ামী লীগের হীরা বাহিনী ফের আমাদের ওপর দানবের মতো চড়াও হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ জুলাই সংবাদ প্রকাশের জেরে হায়েনারা আমার বাড়িতে হামলা চালায়। সেদিন তারা আমাকে, আমার মেয়ে কারিমা আর আমার ছোট্ট ৯ বছরের শিশু ছেলে আব্রাহামকে জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।। খবর পেয়ে আমার বড় ছেলে আবির তার জ্যেষ্ঠ সহকর্মী সাংবাদিক সম্রাটকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সাথে সাথেই সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সম্রাট ভাই সেদিন রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন, আর আমার সন্তানরাও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছিল।”

সন্তানের বুকভাঙ্গা কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এলাকাবাসীর সহায়তায় আমরা সেদিন আমার দুই ছেলে আবির, আব্রাহাম, মেয়ে কারিমা আর সাংবাদিক সম্রাটকে অসচেতন ও রক্তত্ব অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারির ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি। সেইদন রাত ৩টা পর্যন্ত সাংবাদিক সম্রাট ভায়ের ঙ্গান ফিরে নি। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঙ্গান ফিরে। আমার ছেলে আব্রহাম হাসপাতালের বেডে ভুলভাগ কথা বলছিল। আমার ছেলেও অবস্থা দেখে আমার হৃদয়ে বার বার কম্পিতি হচ্ছিল, আল্লাহর কাছে বার বার দোওয়া করছিলাম আল্লাহ আমার ছোট ছেলে আব্রহাম কে তুমি বাচিয়ে নেও। আর অপর বেডে আমার বড় ছেলে আবির শেখ ব্যথায় কাতরাতে ছিল। তার পায়ে হাতে জিআই পাইপ দিয়ে থেতলিয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসীরা। আমরা দুই ছেলের এমন নাযুক অবস্থায় আমরা চোখে বার বার পানি চলে আসছিল। আর সাংবাদিক সম্রাটের করুণ অবস্থা দেখে নিজেকে অনেক দোষী মনে হচ্ছিল। ইস আজ এই ছেলেটা আমাদের জন্য এমন অবস্থা হয়েছে। আল্লাহ তুমি তাকে বাচিয়ে নেও।

তিনি আরও কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, সেইদিন আমাদের এমন নাজুক অবস্থায়, আমরা কিভাবে আরেক মায়ের সন্তানকে মারতে যেতে পারি আপনারাই বলেন?

তিনি আরএমপি পুলিশ কমিশনারের কাছে আকুতি নিয়ে বলেন, আমার ছেলে যদি অপরাধী হয়, সাংবাদিকতা করে যদি অপরাধি হয়, তবে তার সবর্োচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেন, আর যদি আমার ছেলে আবির ও সাংবাদিক সম্রাট অপরাধী না হয় তবে আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

আজ একজন মা ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনার কাছে আমার সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট দাবি—আমাদের পরিবার এবং আমার সাংবাদিক সন্তানদের ওপর বর্বরোচিত হামলাকারী চিহ্নিত ও হীরা-হেলালের মতো আওয়ামী দোসর সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসুন। শুধু তাই নয়, যারা আমাদের কুপিয়ে জখম করেছে, আজ উল্টো তারাই জামিনে বেরিয়ে এসে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের কোণঠাসা করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার সন্তান ও আমার পরিবারের ওপর হওয়া এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার চাই আমি। স্বাধীন দেশের মাটিতে দলীয় পরিচয়ের ছায়াতলে থেকে আর কোনো মা যেন তার সন্তানকে নিয়ে এভাবে অনিরাপদ বোধ না করে এবং মিথ্যা মামলার যাতাকলে পিষ্ট না হয়—তার অভিভাবক হিসেবে আমি আপনার সরাসরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার কামনা করছি।”