Dhaka 12:49 pm, Friday, 5 June 2026

মান্দায় রাতের আঁধারে তিন ফসলী জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, প্রশাসন নির্বিকার

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান

 

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে তিন ফসলী আবাদি জমিতে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরও প্রশাসন যেন জেনেশুনে না শোনার ভান করে আছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনাটি ঘটেছে কালিকাপুর ইউনিয়নের মাউল মোড়ের পাশের মৌজায়। স্থানীয়দের দাবি, শীলগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা *আঃ মজিদ, পিতা আহমদ আলী, রাতের বেলায় এক্সকাভেটর দিয়ে তিন ফসলী জমি কেটে পুকুর খনন করছেন। দিনের বেলায় কাজ বন্ধ থাকলেও রাত হলেই মাটি কাটা শুরু হয়।

কৃষকরা বলছেন, তিন ফসলী জমি কেটে ফেললে এলাকার কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে। পাশাপাশি আশপাশের জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

“আমরা বারবার বলেছি, কিন্তু কেউ শুনছে না। রাতে মেশিন চলে, সকালে জমি শেষ হয়ে যায়। প্রশাসন সব জানে, তবু চুপ,” বলেন এক স্থানীয় কৃষক।

কৃষি জমি সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, তিন ফসলী জমিতে পুকুর খনন বা মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন ভাঙা হলেও মান্দা উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরে তিনি বলে বিষয়টা আমরা দেখছি কিন্তু তৎক্ষণিক তিনি কোন ব্যবস্থাই নেন নাই,

স্থানীয়রা অবিলম্বে খনন কাজ বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন…..

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মান্দায় রাতের আঁধারে তিন ফসলী জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, প্রশাসন নির্বিকার

Update Time : 11:12:39 pm, Friday, 15 May 2026

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান

 

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে তিন ফসলী আবাদি জমিতে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরও প্রশাসন যেন জেনেশুনে না শোনার ভান করে আছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনাটি ঘটেছে কালিকাপুর ইউনিয়নের মাউল মোড়ের পাশের মৌজায়। স্থানীয়দের দাবি, শীলগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা *আঃ মজিদ, পিতা আহমদ আলী, রাতের বেলায় এক্সকাভেটর দিয়ে তিন ফসলী জমি কেটে পুকুর খনন করছেন। দিনের বেলায় কাজ বন্ধ থাকলেও রাত হলেই মাটি কাটা শুরু হয়।

কৃষকরা বলছেন, তিন ফসলী জমি কেটে ফেললে এলাকার কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে। পাশাপাশি আশপাশের জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

“আমরা বারবার বলেছি, কিন্তু কেউ শুনছে না। রাতে মেশিন চলে, সকালে জমি শেষ হয়ে যায়। প্রশাসন সব জানে, তবু চুপ,” বলেন এক স্থানীয় কৃষক।

কৃষি জমি সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, তিন ফসলী জমিতে পুকুর খনন বা মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন ভাঙা হলেও মান্দা উপজেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরে তিনি বলে বিষয়টা আমরা দেখছি কিন্তু তৎক্ষণিক তিনি কোন ব্যবস্থাই নেন নাই,

স্থানীয়রা অবিলম্বে খনন কাজ বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন…..