
মামলাবাজ ও চাঁদাবাজ ভেজাইল্লা সুলতানকে গ্রেফতারের
দাবীতে ডিসির কাছে লিখিত অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার তালহা চৌধুরীর রুদ্র
বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত চাঁদাবাজ ভেজাইল্লা সুলতান মাহমুদ ও তার দোসরদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে লিখিত আবেদন করেছে একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ডিসির ছবি ব্যবহার করে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করায় ভুক্তভোগী টুপি ব্যবসায়ী আকরাম এই অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায় নারায়ণগঞ্জ ডিআইটি রেল কলোনী জামে মসজিদ সংলগ্ন আকরাম টুপি হাউজ নামে একটি দোকান পরিচালনার মাধ্যমে রুটি রোজগার করে সংসার চালায় ধর্মভিরু মোঃ আকরাম। দীর্ঘদিন ধরে আকরামকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ভেজাইল্লা সুলতান চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। চাঁদার দাবীতে বেশ কিছুদিন আগে সুলতান ও তার সন্ত্রাসী প্রকৃতির কয়েকজন প্রতারক চক্রকে নিয়ে আকরামের ব্যবসায়ীক দোকানে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায় এবং মারধর শুরু করে। পরবর্তীতে ভয়ানক ডেভিল সুলতান মাহমুদ কোন বিচার সালিশ না মেনে উল্টো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আকরামের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় সুলতান বাদী হয়ে নন এফআইআর প্রসিকিউশন মামলা ও ফতুল্লা মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা। এছাড়াও সুলতানের সহযোগী সাহাবুদ্দিনকে দিয়ে ফতুল্লায় এবং কদমতলী থানায় দিলশাধ আলিফকে দিয়ে আরো দুটি ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করান। যে মামলাগুলোর ঘটনার সাথে আকরাম কোন ভাবেই জড়িত নয়। সম্প্রতি ভেজাইল্লা সুলতান মাহমুদ মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দেওয়ার পর স্বশরীরে এবং হোয়াটস অ্যাপে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে নিজের ছবি দেখিয়ে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে এবং বলে টাকা দিলে তর নামে মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিব। আর টাকা না দিলে আরও মামলা দিয়ে তোকে জেলের ভাত খাওয়াবো। বর্তমানে সুলতান ও তার সহযোগিদের অব্যাহত হুমকীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আকরাম দিশেহারা হয়ে পড়েছে এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যার কারণে প্রতিকার চেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। সুলতান ও তার সহযোগিদের গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে লিখিত অভিযোগটি অনুলিপি প্রেরণ করেন পুলিশ সুপার, র্যাব, ডিবি, কদমতলী থানা, ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানায়।
তালহা চৌধুরীর রুদ্র 


















