Dhaka 9:23 am, Tuesday, 21 April 2026

লাখাইয়ের ৬নং বুল্লা ইউপির হোল্ডিং টেক্স আদায়ে ভুক্তভোগী জনতার ক্ষোভ প্রকাশ

লাখাইয়ের ৬নং বুল্লা ইউপির হোল্ডিং টেক্স আদায়ে ভুক্তভোগী জনতার ক্ষোভ প্রকাশ

 

এম ইয়াকুব হাসান অন্তর লাখাই প্রতিনিধি ,,,

 

বাংলাদেশ গেজেট, এসআরও নম্বর ৩৩৯-আইন/২০১২/২০১৩ স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ এবং এর ধারা ৬৬এ সরকার কর্তৃক ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রণীত আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী কাঁচা ঘরের জন্য ৫০ টাকা, আধা পাকা ঘরের জন্য ৭৫ টাকা, এবং বিল্ডিং এর জন্য ১৫০টাকা পরিমাণ অনুযায়ী বার্ষিক করহার থাকলেও কিন্তু আদায় করা হচ্ছে বার্ষিক হারে কাঁচা ঘরের জন্য ২০০টাক,আদা পাকা ঘরের জন্য ৪৫০ টাকা,পাকা ঘরের জন্য ৬৫০ টাকা হারে। এভাবে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

 

 

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ববুল্লা গ্রামের মিয়া হোসেন বলেন, আমার আদা কাঁচা বাড়ি সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৪০০ টাকা করে তিন বছরের জন্য ১২০০ টাকা। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই,এবং সঠিক বিচার দাবি করছি । আরেক ভুক্তভোগী দিনমুজুর নুর মিয়া বলেন, মাঠ কর্মকর্তা মিন্টু মিয়া কাঁচা ঘরের প্রতি বছরের জন্য ২০০ টাকা দাবি করে তিন বছরের জন্য ৬০০টাকা এবং বইয়ের জন্য ৫০ টাকা,মোট ৬৫০ টাকা নেন। কে পাঠাইছে আমি জানতে চাইলে তিনি বলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশে এ ট্যাক্স আদায় করছি। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার দাবি করছি।
পুর্ববুল্লা গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি নাম বলতে অনিচ্ছুক, তিনি বলেন,চেয়ারম্যান খোকন দেশের এ ক্লান্তিলগ্নে যে কাজটি করেছেন সেটা চরম অন্যায় করেছেন।

 

 

গোয়াকড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আমিন মিয়া জানান, আমার কাছ থেকে সর্বমোট ১৮০০টাকা নিয়াছে, আমি এ কু- কেলেঙ্কারি লোভী চেয়ারম্যানের শাস্তি দাবি করছি,
ভরপুর্ন্নী গ্রামের এক ভুক্তভোগী বলেন, চেয়ারম্যান মহোদয় এ টেক্স আদায় করা মানে ডাকাতি করার সমান,এর সুষ্ট তদন্ত করে প্রতারক চেয়ারম্যানকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বুল্লা গ্রামের মন্নর আলী বলেন,এ হোল্ডিং ট্যাক্স এর নামে ডাকাতি যেই করুক, তার বিচার চাই।

 

 

আরেক এক ভুক্তভোগী বলেন, আমার নুন আন্তে পান্তা ফুরায় সমান,আমার কাছ থেকে ৯৫০টাকা নিয়াছে, আমার সাথে ভীষণ জুলুম করেছে,আমি এর বিচার চাই,
এ ব্যাপারে ৬নং বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন চন্দ্রগোপের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ওনার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়,এবং ইউনিয়ন অফিসের যোগাযোগ করলে জানা যায় উনি কোথায় আছে কেউ জানেন না।
এব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাসের সাথে মুটো ফোনে ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি।
৬নং বুল্লা ইউ পির ভুক্তভোগী জনগণের দাবি ,প্রশাসনের সুদৃষ্টি দিয়ে এর সঠিক সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার করার দাবি। এবং সচেতন সমাজের আহ্বান,আসুন আমরা সচেতন হই। সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে এই অন্যায় বন্ধ করি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

দেশজুড়ে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন জননেতা মাইনুল আলম খান কনক

লাখাইয়ের ৬নং বুল্লা ইউপির হোল্ডিং টেক্স আদায়ে ভুক্তভোগী জনতার ক্ষোভ প্রকাশ

Update Time : 07:54:37 pm, Tuesday, 18 February 2025

লাখাইয়ের ৬নং বুল্লা ইউপির হোল্ডিং টেক্স আদায়ে ভুক্তভোগী জনতার ক্ষোভ প্রকাশ

 

এম ইয়াকুব হাসান অন্তর লাখাই প্রতিনিধি ,,,

 

বাংলাদেশ গেজেট, এসআরও নম্বর ৩৩৯-আইন/২০১২/২০১৩ স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ এবং এর ধারা ৬৬এ সরকার কর্তৃক ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রণীত আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী কাঁচা ঘরের জন্য ৫০ টাকা, আধা পাকা ঘরের জন্য ৭৫ টাকা, এবং বিল্ডিং এর জন্য ১৫০টাকা পরিমাণ অনুযায়ী বার্ষিক করহার থাকলেও কিন্তু আদায় করা হচ্ছে বার্ষিক হারে কাঁচা ঘরের জন্য ২০০টাক,আদা পাকা ঘরের জন্য ৪৫০ টাকা,পাকা ঘরের জন্য ৬৫০ টাকা হারে। এভাবে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

 

 

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ববুল্লা গ্রামের মিয়া হোসেন বলেন, আমার আদা কাঁচা বাড়ি সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৪০০ টাকা করে তিন বছরের জন্য ১২০০ টাকা। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই,এবং সঠিক বিচার দাবি করছি । আরেক ভুক্তভোগী দিনমুজুর নুর মিয়া বলেন, মাঠ কর্মকর্তা মিন্টু মিয়া কাঁচা ঘরের প্রতি বছরের জন্য ২০০ টাকা দাবি করে তিন বছরের জন্য ৬০০টাকা এবং বইয়ের জন্য ৫০ টাকা,মোট ৬৫০ টাকা নেন। কে পাঠাইছে আমি জানতে চাইলে তিনি বলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশে এ ট্যাক্স আদায় করছি। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার দাবি করছি।
পুর্ববুল্লা গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি নাম বলতে অনিচ্ছুক, তিনি বলেন,চেয়ারম্যান খোকন দেশের এ ক্লান্তিলগ্নে যে কাজটি করেছেন সেটা চরম অন্যায় করেছেন।

 

 

গোয়াকড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আমিন মিয়া জানান, আমার কাছ থেকে সর্বমোট ১৮০০টাকা নিয়াছে, আমি এ কু- কেলেঙ্কারি লোভী চেয়ারম্যানের শাস্তি দাবি করছি,
ভরপুর্ন্নী গ্রামের এক ভুক্তভোগী বলেন, চেয়ারম্যান মহোদয় এ টেক্স আদায় করা মানে ডাকাতি করার সমান,এর সুষ্ট তদন্ত করে প্রতারক চেয়ারম্যানকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বুল্লা গ্রামের মন্নর আলী বলেন,এ হোল্ডিং ট্যাক্স এর নামে ডাকাতি যেই করুক, তার বিচার চাই।

 

 

আরেক এক ভুক্তভোগী বলেন, আমার নুন আন্তে পান্তা ফুরায় সমান,আমার কাছ থেকে ৯৫০টাকা নিয়াছে, আমার সাথে ভীষণ জুলুম করেছে,আমি এর বিচার চাই,
এ ব্যাপারে ৬নং বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন চন্দ্রগোপের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ওনার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়,এবং ইউনিয়ন অফিসের যোগাযোগ করলে জানা যায় উনি কোথায় আছে কেউ জানেন না।
এব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাসের সাথে মুটো ফোনে ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি।
৬নং বুল্লা ইউ পির ভুক্তভোগী জনগণের দাবি ,প্রশাসনের সুদৃষ্টি দিয়ে এর সঠিক সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার করার দাবি। এবং সচেতন সমাজের আহ্বান,আসুন আমরা সচেতন হই। সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে এই অন্যায় বন্ধ করি।