
সুনামগঞ্জে পিআইসিতে অনিয়ন দূর্নীতি ও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন
সুনামগঞ্জ থেকে নিজস্ব প্রতিনিধ
সুনামগঞ্জের ৫৩টি হাওরে হাওর ফসল রক্ষা বাধেঁর কাজে অনিয়ন,দূর্নীতি,অব্যবস্থপনা ও নির্ধারিত সময়ের মধ্য বাঁধের কাজ শেষ না হওয়ার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ২৬ফেব্রয়ারী দুপুর ১২টায় হাওর বাচাঁও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
হাওর বাচাঁও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আসাদ উল্ল্যাহ সরকারের সভাপতিত্বে রাজু আহমেদর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ও দৈনিক সুনামকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক বিজন সেন রায়, সুনামগঞ্জ জেলা হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি ইয়াকুব বখত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কলি তালুকদার আরতি, জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক ও সাংবাদিক ওবায়দুল হক মিলন,সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক শহীদনুর আহমদ,শান্তিগঞ্জ উপজেলা হাওর বাচাঁও আন্দোলনের সাধারন সম্পাদক আবু সাঈদ,বিশ্বম্ভরপুরের সভাপতি আব্দুল গণি আনসারী,সাধারন সম্পাদক হাসান বশির প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দরা বলেছেন হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের কৃষকদের একমাত্র বেচেঁ থাকার অবলম্বন হচ্ছে বোরো জমির ফসল। কৃষকদের ফসল রক্ষার জন্য ডুবন্ত বাঁধের কাজ তৈরীতে জেলার ১২টি উপজেলায় ৬৮৭ পিআইসি কমিটির মাধ্যমে ৫৮৮ কিলোঃ ডুবন্ত বাধেঁর জন্য সরকার এবছর ১২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। জেলা ফসল রক্ষা বাঁধের মনিটরিং কমিটির সভায় শুরুতেই গত ২০২৩ সালে ১৫ই ডিসেম্বর জেলার ৫৩টি হাওরে বাঁধের কাজ শুরু করে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্য সকল বাধেঁর কাজ সম্পন্ন করে ঘাস লাগানোর কথা ছিল।
কিন্ত প্রশাসন ও পানি উন্নয়নের কর্মকর্তাদের লুকোচুরি এবং এ যাবত পর্যন্ত সকল হাওরে বাঁধের কাজ ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে তাদের এমন মিথ্যা তথ্যর প্রতিবাদ জানান নেতৃবৃন্দরা। নেতৃবৃন্দরাা বিভিন্ন হাওরের বাঁধ ঘুরে দেখেছেন আজকে পর্যন্ত গড়ে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আর মাত্র দুইদিন বাকি ২৮ ফেব্রুয়ারী এই তারিখের মধ্য শতভাগ কাজ শেষ হবে না উল্লেখ করে বলেন বিগত বছরগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ড রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্পৃত্ততার কথা বলে দোহাই দিলেও এখন তো নিরপেক্ষ তত্বাবাধায়ক সরকার দেশ চালাচ্ছে। তাহলে কাদের যোগসাজসে কমিটি কার বিনিময়ে পাইয়ে দিয়ে কমিশন বাণিজ্যের মধ্যে বাধেঁর নামে লুটপাঠ চলছে। বিষয়গুলো কথিয়ে দেখে দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের নিকট দাবী জানান। অন্যতায় এবারো যদি হাওর ফসল রক্ষা বাঁধের দূর্নীতির কারণে কৃষকদের সোনালী ফসল ডুবে যায় তাহলে প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ তাদের ঘেরাও করার হুশিয়ারী উচ্চারন করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















