Dhaka 3:38 am, Monday, 27 July 2026

নারী কেলেঙ্কারিতে সাময়িক বরখাস্ত আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন, সমালোচনার ঝড়

নিজস্ব প্রতিবেদক:মোঃ জামাল উদ্দিন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আলোচিত কর্মকর্তা এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে আবারও সংস্থাটির ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মো. কবির হোসেন স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে আরিফ উদ্দিনকে একই পদে ঢাকার ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন করা হয়।

এ পদায়নের পর জনমনে সুশাসন, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ২৩ জুন (মঙ্গলবার) বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সেই আদেশে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে, যা সংস্থাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের অভিযোগে বিধি ৪১(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন এবং প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে। হাজিরা নিশ্চিত হওয়ার পরই তার ভাতা প্রদান করা হবে বলেও আদেশে উল্লেখ ছিল।

একই সময়ে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং আদেশটি তাৎক্ষণিক কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সাময়িক বরখাস্তের অল্প সময়ের মধ্যেই আরিফ উদ্দিনকে ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়নের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশাসনিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারীসহ তিনজন আটক

নারী কেলেঙ্কারিতে সাময়িক বরখাস্ত আরিফকে বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন, সমালোচনার ঝড়

Update Time : 11:09:18 pm, Saturday, 25 July 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:মোঃ জামাল উদ্দিন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আলোচিত কর্মকর্তা এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে আবারও সংস্থাটির ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মো. কবির হোসেন স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে আরিফ উদ্দিনকে একই পদে ঢাকার ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়ন করা হয়।

এ পদায়নের পর জনমনে সুশাসন, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ২৩ জুন (মঙ্গলবার) বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) এ.কে.এম. আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সেই আদেশে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়েছে, যা সংস্থাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের অভিযোগে বিধি ৪১(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন এবং প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে। হাজিরা নিশ্চিত হওয়ার পরই তার ভাতা প্রদান করা হবে বলেও আদেশে উল্লেখ ছিল।

একই সময়ে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং আদেশটি তাৎক্ষণিক কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সাময়িক বরখাস্তের অল্প সময়ের মধ্যেই আরিফ উদ্দিনকে ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগে পদায়নের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশাসনিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।