
নিজস্ব সংবাদদাতা মিসেস চামেলি আক্তার:-
ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব প্রদানকে কেন্দ্র করে নানা অনিয়ম ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে,নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করে একজন সহকারী শিক্ষক বেআইনিভাবে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন,যা শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
জানা যায়,বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে সহকারী শিক্ষক (ইসলাম শিক্ষা) মাওলানা দবির হোসেনকে এক মাসের জন্য প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, কোনো নতুন রেজুলেশন বা অনুমোদন ছাড়াই তিনি প্রায় ১৭ থেকে ১৮ মাস ধরে একই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উল্লেখ্য, তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, একজন সহকারী শিক্ষককে দীর্ঘ সময় প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রাখায় বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন,এতে শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এছাড়াও বিদ্যালয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী,ইংরেজি বিষয়ে কোচিং পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কম্পিউটার বিষয়ের একজন শিক্ষককে,যদিও প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। বিষয়টি নিয়েও অভিভাবক ও সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নওয়াপাড়া গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“প্রধান শিক্ষক নিয়োগ যদি আইনি জটিলতার কারণে বিলম্বিত হয়, তাহলে প্রশাসনিক ও একাডেমিকভাবে দক্ষ কোনো সিনিয়র শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া উচিত ছিল। তুলনামূলকভাবে অদক্ষ একজন সহকারী শিক্ষককে দীর্ঘ সময় দায়িত্বে রাখার ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমেও গতি নেই।”
উল্লেখ্য, বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।
নিজস্ব সংবাদদাতা 


















