
নিজস্ব প্রতিবেদক নওগাঁ
নওগাঁ সদর উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষক, তার ছেলে ও সাবেক পুত্রবধূকে ঘিরে সামনে এসেছে আলোচিত এক পারিবারিক ঘটনা, যা প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের কারণে বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা এখনো নিশ্চিত নয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে ওই শিক্ষক নিজ ছেলের সঙ্গে এক তরুণীর পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন। কিন্তু বিয়ের পর তরুণী অভিযোগ করেন, তার স্বামী মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং এ তথ্য বিয়ের আগে গোপন রাখা হয়। তার ভাষ্য, এ কারণে স্বামীর সঙ্গে তার স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন কখনোই শুরু হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, সময়ের ব্যবধানে ওই শিক্ষক ও তার সাবেক পুত্রবধূর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তরুণী দাবি করেন, তিনি তার স্বামীকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। অন্যদিকে স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, তিনিও তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আইনানুগভাবে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে ওই তরুণীকে বিয়ে করেছেন।
ঘটনার নতুন মোড় আসে যখন শিক্ষকের প্রথম স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা একটি ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের একসঙ্গে দেখতে পান বলে অভিযোগ করেন। প্রথম স্ত্রীর দাবি, তাকে কোনো তালাকনামা দেওয়া হয়নি। তার অভিযোগ, স্বামী গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।
এদিকে তরুণীর বক্তব্য, তিনি কোনো জোরজবরদস্তির শিকার হননি। তার ভাষায়, অসুস্থ স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে না পেরে নিজের ইচ্ছায় তিনি ওই শিক্ষককে বিয়ে করেছেন।
অন্যদিকে স্কুল শিক্ষকও দাবি করেন, অসহায় অবস্থায় থাকা ওই তরুণীকে সামাজিক ও মানবিক বিবেচনায় তিনি কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলেও অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট তালাক ও বিয়ের আইনগত বৈধতা এবং অন্যান্য বিষয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত, আদালতের নথিপত্র এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি, স্থানীয় সূত্র এবং তাদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
আহত ইব্রাহিম হোসেন সম্রাট বাংলাদেশ মেইল ২৪, দৈনিক সময়ের কাগজ, দৈনিক গণকণ্ঠ ও সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক পত্রিকায় কর্মরত রয়েছেন। তিনি রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার কেদুর মোড় এলাকার বাসিন্দা। সংবাদ লেখা পর্যন্ত তিনি হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তার জ্ঞান ফেরেনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, একই ঘটনায় সাংবাদিক আবির শেখ, তার ছোট ভাই আব্রাহাম (৯), বড় বোন কারিমা (১৯), মা আফরোজা বেগম (৪২) এবং দাদি সোনিয়া (৭০) আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবির শেখের দাবি, পুকুর খনন-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ এবং ছবি ও ভিডিও ধারণের জেরে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা দুলাল ও হিরার নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 







