
নাটোরে গণমাধ্যম কর্মীর ওপর বহিষ্কৃত এসপির হামলা
সাকিল হোসাইন,নাটোর প্রতিনিধি :
নাটোরে স্ত্রী মেহনাজ আক্তারের দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলায় জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে নেওয়ার সময় ময়মনসিংহ রেঞ্জে সংযুক্ত পুলিশ সুপার এস এম ফজলুল হক নাটোরের গণমাধ্যমের ওপর হামলা করেছে। ফুটেজ নেওয়ার সময় এখন টেলিভিশ,এটি এন এবং সময় টিভির ক্যামেরার ওপর হামলা করে।দুপুরে পুলিশ সুপার এসএম ফজলুল হক নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। এসময় শুনানী শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এসময় খবর পেয়ে নাটোরের গণমাধ্যম কর্মীরা কোর্ট পুলিশের হাজত খানার সামনে জড়ো হয়। কিন্তু কোর্ট পুলিশ তাকে হাতকড়া না পড়িয়েই জেল হাজতে নেওয়ার সময় গণমাধ্যম কর্মীরা ফুটেজ নিতে থাকলে পুলিশ সুপার এস এম ফজলুল হক এখন টিভির ক্যামেরার সহ বেশে কয়েকটি গণমাধ্যমের ক্যামেরার ওপর হামলা করে। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা উত্তোজিত হয়ে উঠলে পুলিশ পুনরায় পুলিশ সুপার এসএম ফজলুল হককে কোর্ট হাজতে নেয়। পরে পুলিশের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় গণমাধ্যম কমীরা পুলিশ সুপার ফজলুল হককে হাতকড়া, মুখে মাস্ক পরিধান থেকে বিরত রাখা এবং কোড়রে দড়ি বেধে নিয়ে যাওয়ার শর্ত দিলে সেনাবাহিনী ও পুলিশি পাহারায় তাকে কোর্ট হাজত থেকে জেল হাজতে নেওয়া হয়।
গত বছরের ২৮ আক্টোবর মেহনাজ আক্তার তার স্বামী পুলিশ সুপার ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার ওপর নির্যাতন,পরোকীয়া সহ নানা অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।এর পর পুলিশ সুপার ফজলুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করে মযমনসিংহ রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।বাদি পক্ষের আইনজীবী মুশফিক হাসান জানান পুলিশ সুপারের নির্যাতনে ২ কন্যা সন্তান নিয়ে মেহনাজ অসহায় জীবন যাপন করছেন।পুলিশ সুপার ফজলুল হকের বাড়ি নাটোর শহরের মোহনপুর এলাকায়।এবং তার স্ত্রী মেহনাজের বাড়ি জেলাল লাপুররে।তবে তিনি রাজশাহীতে বোনের বাসায় থাকেন।
Reporter Name 

























