Dhaka 2:44 pm, Monday, 27 April 2026

টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক

 

নিউজ ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ক্লিন ইমেজ’ধারী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি। অপকর্মে জড়িত বা বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেবে না দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এটা নিয়ে আসনভিত্তিক কাজ শুরু করেছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দল থেকে যাদের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছিল, যারা দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার খসড়া তৈরি করা হবে। আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে এই খসড়া তালিকা তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু না করলেও গত ফেব্রুয়ারিতে দলের বর্ধিত সভা থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূল নেতাদের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন। জানা গেছে, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করবে দলটি।

বিএনপি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ না দিলেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বসে নেই। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন তারা, আছেন গণসংযোগের মধ্যে। দলের নির্দেশনা মেনে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। শোডাউনের রাজনীতি না করলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে রমজানজুড়ে এলাকায় ইফতার মাহফিল করেছেন, ঈদুল ফিতরও উদযাপন করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৩৫ টাংগাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন দক্ষিণ নাগরপুরের কৃতিসন্তান, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শে বিশ্বাসী আপাদমস্তক রাজনৈতিক পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা মেধাবী নেতৃত্ব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সময়ে বারবার শিবির কর্তৃক নির্যাতিত, বিগত ১৭ বছর কেন্দ্রীয় বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী, পরিবার সহ নিজে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি এবং নাগরপুর উপজেলা বিএনপিকে পরোক্ষভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া রাজপথের লড়াকু সৈনিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সফল সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ শামসুজ্জোহা হল ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক।

ইতিমধ্যে তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় ও একজন নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আস্থা অর্জন করেছেন।

তিনি উক্ত নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড, অসহায় দুঃস্থদের সহযোগিতা, জেলা ও উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন।

তার পারিবারিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করেও দেখা যায় তিনি আপাদমস্তক একজন জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তার পিতা মরহুম আফছার উদ্দিন একজন সম্ভ্রান্ত ধার্মিক মানুষ ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন গ্রাম সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আমৃত্যু (১৯৯১-১৯৯৬) দপ্তিয়র ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক এর বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম একজন সি আই পি এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আজিজ হল ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মেজ ভাই মিজানুর রহমান মানিকগঞ্জ দৌলতপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম নাগরপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনি: যুগ্ম-আহবায়ক এবং আরেক ভাই আনিসুর রহমান বাদল নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনি: সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তারা উভয়েই সফল ব্যবসায়ী হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।

তাই জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক আপাদমস্তক জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী রাজনৈতিক পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা একজন সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক গণমাধ্যমকে বলেন- মনোনয়ন বিষয়টি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক নির্ধারিত একটি বিষয়। দীর্ঘদিন যাবত জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে মিশে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলের যে কোন প্রয়োজনে দলের সাথে যেভাবে সম্পৃক্ত রয়েছি, তাতে আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে আমি বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হই অথবা না হই তবুও সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ্।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বগুড়া সিটিতে গুরুকে হত্যার পরিকল্পনায়,প্রকাশ্যে খুন:- শিষ্য রকি

টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক

Update Time : 11:11:28 pm, Monday, 7 April 2025

 

নিউজ ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ক্লিন ইমেজ’ধারী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি। অপকর্মে জড়িত বা বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেবে না দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এটা নিয়ে আসনভিত্তিক কাজ শুরু করেছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দল থেকে যাদের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছিল, যারা দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার খসড়া তৈরি করা হবে। আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে এই খসড়া তালিকা তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু না করলেও গত ফেব্রুয়ারিতে দলের বর্ধিত সভা থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূল নেতাদের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন। জানা গেছে, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করবে দলটি।

বিএনপি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ না দিলেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বসে নেই। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন তারা, আছেন গণসংযোগের মধ্যে। দলের নির্দেশনা মেনে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। শোডাউনের রাজনীতি না করলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে রমজানজুড়ে এলাকায় ইফতার মাহফিল করেছেন, ঈদুল ফিতরও উদযাপন করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৩৫ টাংগাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন দক্ষিণ নাগরপুরের কৃতিসন্তান, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শে বিশ্বাসী আপাদমস্তক রাজনৈতিক পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা মেধাবী নেতৃত্ব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সময়ে বারবার শিবির কর্তৃক নির্যাতিত, বিগত ১৭ বছর কেন্দ্রীয় বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী, পরিবার সহ নিজে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি এবং নাগরপুর উপজেলা বিএনপিকে পরোক্ষভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া রাজপথের লড়াকু সৈনিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সফল সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ শামসুজ্জোহা হল ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক।

ইতিমধ্যে তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় ও একজন নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আস্থা অর্জন করেছেন।

তিনি উক্ত নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড, অসহায় দুঃস্থদের সহযোগিতা, জেলা ও উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন।

তার পারিবারিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করেও দেখা যায় তিনি আপাদমস্তক একজন জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তার পিতা মরহুম আফছার উদ্দিন একজন সম্ভ্রান্ত ধার্মিক মানুষ ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন গ্রাম সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আমৃত্যু (১৯৯১-১৯৯৬) দপ্তিয়র ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক এর বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম একজন সি আই পি এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আজিজ হল ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মেজ ভাই মিজানুর রহমান মানিকগঞ্জ দৌলতপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম নাগরপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনি: যুগ্ম-আহবায়ক এবং আরেক ভাই আনিসুর রহমান বাদল নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনি: সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তারা উভয়েই সফল ব্যবসায়ী হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।

তাই জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক আপাদমস্তক জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী রাজনৈতিক পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা একজন সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক গণমাধ্যমকে বলেন- মনোনয়ন বিষয়টি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক নির্ধারিত একটি বিষয়। দীর্ঘদিন যাবত জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে মিশে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলের যে কোন প্রয়োজনে দলের সাথে যেভাবে সম্পৃক্ত রয়েছি, তাতে আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে আমি বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হই অথবা না হই তবুও সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ্।