Dhaka 10:41 pm, Saturday, 25 April 2026

এনআইডি নিজেদের কাছে রাখতে নির্বাচন কমিশনের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

  • Reporter Name
  • Update Time : 04:04:04 pm, Thursday, 13 March 2025
  • 87 Time View

এনআইডি নিজেদের কাছে রাখতে নির্বাচন কমিশনের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

রাশেদ নিজাম শাহ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

আজ ১৩ মার্চ ২০২৫ ইং সকাল ১১ টার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র পরিষেবা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন হতে সংবিধিবদ্ধ কমিশনের স্থানান্তরের কূট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসের ফটকে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির বক্তব্যে,হাবিবুর রহমান(ডাটা এন্ট্রি অপারেটর)বলেন, ২০০৭-২০০৮ সাল থেকে আমরা জাতীয় পরিচয় পত্র পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান আমরা যারা সংযুক্ত আছি সকলেই দক্ষ। বাংলাদেশের সকল অফিস আদালতে জাতীয় পরিচয় পত্র গুরুত্বপূর্ণ ও আস্থার সাথে ব্যবহার হচ্ছে। এমন অবস্থায় আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ড এর যে প্রকল্প তা অঙ্গাঅঙ্গী ভাবে জড়িত। জাতীয় পরিচয় পত্র সেকশন যদি আলাদা কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যায় তাহলে এনআইডি কার্ড ও ভোটার লিস্ট প্রত্যেকটার মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে। কাজেই আমরা যারা নির্বাচন কমিশনে কর্মরত আছি সরকারি ও প্রকল্পে আমাদের একই সঙ্গে থাকাটা সময়ের দাবি।

কৃষ্ণ চন্দ্র( সাট মুদ্রাক্ষরিক অপারেটর)বলেন,নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ড সেপারেট হওয়ার যে ষড়যন্ত্র এটা রুখে দেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি। নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি কার্ডের যে কার্যকারিতা শুরু থেকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে চলে আসছে দুটি একে অপরের পরিপূরক।দুটি কার্যক্রম যদি ভিন্নার্থক হয় আলাদা আলাদা হয় সেবা পেতে জটিলতার সৃষ্টি হবে।কারণ ভোটার তালিকা না হলে ভোটার আইডি কার্ড আসতে পারে না এর কেন্দ্র বা ভিত্তি হল ভোটার তালিকা দুটি দপ্তর যদি আলাদা হয় সাধারণ মানুষের সেবা পেতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। দুটি অঙ্গা অঙ্গী ভাবে জড়িত তাই আমি নির্বাচন কমিশনের আওতায় ভোটার আইডি কার্ড কার্যক্রম থাকার জন্য বিনীতভাবে সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

আকতার হোসেন বলেন,নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ড একই প্রকল্প ও রাজস্ব খাত। যদিও নির্বাচন কমিশনকে প্রধান ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা আইডি কার্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা যেন নির্বাচন কমিশনের সাথেই থাকি কারণ দুটি বিষয় পরোক্ষভাবে জড়িত। যদি আলাদা করা হয় সেবা পেতে ব্যাহত হবে, সময়ও লাগবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হবে। এজন্য আমরা চাই নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ডের যে প্রকল্প এক অফিসে থাক এটাই আমাদের সরকারের প্রতি আবেদন।

এসময় বিভিন্ন শ্লোগান লিখিত প্লেকার্ড নিয়ে উপস্থিত ছিলেন,দেলোয়ার হোসেন, রুজিনা আকতার, নয়ন চন্দ্র প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

হ্নীলা একাডেমী বৃত্তিপরীক্ষা ২০২৫-এর বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান সম্পন্ন

এনআইডি নিজেদের কাছে রাখতে নির্বাচন কমিশনের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

Update Time : 04:04:04 pm, Thursday, 13 March 2025

এনআইডি নিজেদের কাছে রাখতে নির্বাচন কমিশনের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

রাশেদ নিজাম শাহ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

আজ ১৩ মার্চ ২০২৫ ইং সকাল ১১ টার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র পরিষেবা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন হতে সংবিধিবদ্ধ কমিশনের স্থানান্তরের কূট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসের ফটকে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির বক্তব্যে,হাবিবুর রহমান(ডাটা এন্ট্রি অপারেটর)বলেন, ২০০৭-২০০৮ সাল থেকে আমরা জাতীয় পরিচয় পত্র পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান আমরা যারা সংযুক্ত আছি সকলেই দক্ষ। বাংলাদেশের সকল অফিস আদালতে জাতীয় পরিচয় পত্র গুরুত্বপূর্ণ ও আস্থার সাথে ব্যবহার হচ্ছে। এমন অবস্থায় আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ড এর যে প্রকল্প তা অঙ্গাঅঙ্গী ভাবে জড়িত। জাতীয় পরিচয় পত্র সেকশন যদি আলাদা কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যায় তাহলে এনআইডি কার্ড ও ভোটার লিস্ট প্রত্যেকটার মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে। কাজেই আমরা যারা নির্বাচন কমিশনে কর্মরত আছি সরকারি ও প্রকল্পে আমাদের একই সঙ্গে থাকাটা সময়ের দাবি।

কৃষ্ণ চন্দ্র( সাট মুদ্রাক্ষরিক অপারেটর)বলেন,নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ড সেপারেট হওয়ার যে ষড়যন্ত্র এটা রুখে দেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি। নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি কার্ডের যে কার্যকারিতা শুরু থেকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে চলে আসছে দুটি একে অপরের পরিপূরক।দুটি কার্যক্রম যদি ভিন্নার্থক হয় আলাদা আলাদা হয় সেবা পেতে জটিলতার সৃষ্টি হবে।কারণ ভোটার তালিকা না হলে ভোটার আইডি কার্ড আসতে পারে না এর কেন্দ্র বা ভিত্তি হল ভোটার তালিকা দুটি দপ্তর যদি আলাদা হয় সাধারণ মানুষের সেবা পেতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। দুটি অঙ্গা অঙ্গী ভাবে জড়িত তাই আমি নির্বাচন কমিশনের আওতায় ভোটার আইডি কার্ড কার্যক্রম থাকার জন্য বিনীতভাবে সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

আকতার হোসেন বলেন,নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ড একই প্রকল্প ও রাজস্ব খাত। যদিও নির্বাচন কমিশনকে প্রধান ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা আইডি কার্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা যেন নির্বাচন কমিশনের সাথেই থাকি কারণ দুটি বিষয় পরোক্ষভাবে জড়িত। যদি আলাদা করা হয় সেবা পেতে ব্যাহত হবে, সময়ও লাগবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হবে। এজন্য আমরা চাই নির্বাচন কমিশন ও ভোটার আইডি কার্ডের যে প্রকল্প এক অফিসে থাক এটাই আমাদের সরকারের প্রতি আবেদন।

এসময় বিভিন্ন শ্লোগান লিখিত প্লেকার্ড নিয়ে উপস্থিত ছিলেন,দেলোয়ার হোসেন, রুজিনা আকতার, নয়ন চন্দ্র প্রমুখ।