
উন্নয়ন,সুশাসন ও জনসেবামুখী নেতৃত্বের প্রত্যাশায় তাকে দেখতে চান বলে মত স্থানীয়দের একাংশের
মোঃ ফরহাদুল ইসলাম জুয়েল স্টাফ রিপোর্টার
আগামী কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে সমাজসেবক মোঃ সাইজুদ্দিন আহমেদের নাম। পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবামুখী নেতৃত্বের প্রত্যাশায় পৌরবাসীর একাংশ তাকে আগামী নির্বাচনে মেয়র হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার মাধ্যমে সাইজুদ্দিন আহমেদ সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পৌরবাসীর কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
পৌর এলাকার ব্যবসায়ী, শিক্ষক, তরুণ সমাজ এবং প্রবীণ নাগরিকদের একাংশের মতে, বর্তমান সময়ে কালিয়াকৈর পৌরসভাকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে একজন দক্ষ, সৎ ও জনমুখী নেতৃত্বের প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, সাইজুদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত হলে পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চাই, যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন, সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবেন এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল করবেন। আমাদের বিশ্বাস, সাইজুদ্দিন আহমেদ সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হতে পারেন।”
তবে নির্বাচন কমিশন এখনো কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করেনি। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চললেও প্রার্থিতা এখনো আনুষ্ঠানিক নয়। এর মধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে সাইজুদ্দিন আহমেদকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের ভোটই শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে। তাই আগামী পৌর নির্বাচনে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, জনসম্পৃক্ততা, সততা, উন্নয়ন ভাবনা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সক্ষমতাই ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
(বিঃদ্রঃ: এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত মতামত স্থানীয়দের বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে।)
মোঃ ফরহাদুল ইসলাম জুয়েল 




















