
জুলাইয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় দেয়ালে গ্রাফিতি করার সময় ছাত্রদের বাধাপ্রদান ও হুমকি দিয়েছে নি’ষি’দ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৬ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ এসে কয়েকজনকে আটক করে নিতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে পৌরসভার কুড়িগ্রামের শাহাবুর আলমের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা তাইছুর আলম (২৩)-সহ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। যদিও পুলিশ তাদের গ্রে’ফ’তা’র করার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ জুলাইয়ের নানা স্লোগান দেয়ালে অঙ্কন করছিল কয়েকজন ছাত্র। এসময় বিকাল ছয়টার দিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা তাইছুর আলমের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী এসে তাদের মা’র’ধর করতে উদ্যত হন এবং অকথ্য ভাষায় গা*লিগালাজ করতে থাকে। এরপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নেন। এসময় অঙ্কনকারীরা পুলিশে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জুলাই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আকাশ বলেন, আমরা কয়েকজন দেয়ালে জুলাইয়ের নানা স্লোগানের গ্রাফিতি অঙ্কন করছিলাম। এসময় ছাত্রলীগের কয়েকজন স*ন্ত্রা*সী আমাদের মা-বোনের ইজ্জত হরণের হু’ম’কি দিয়ে অকথ্য গা*লিগালাজ করতে থাকে। তারা আমাদের মা’র’ধ’র করতে তেড়ে আসে। তখন আমরা পুলিশকে জানাই। পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে গেছে। আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শা*স্তি চাই। তাদের ছেড়ে দেয়া হলে আ’ন্দো’লনে নামবো আমরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সদস্য সচিব মো. শাফায়াত উল্লাহ বলেন, সরকারি একটি প্রজেক্টের কাজের অংশ হিসেবে আমাদের কিছু ছেলেরা দেয়ালে গ্রাফিতির কাজ করছিল। এসময় ছাত্রলীগ নেতা তাইছুর আলমসহ ৮-১০ জন এসে কাজে বাধা দিয়ে হুমকি দেয়৷ তারা বলে, ‘কে আপনাদের এসব কাজ করার অনুমতি দিয়েছে? ডিসি দিয়েছে? ডিসি এসব কাজে অনুমতি দেওয়ার কে? সমন্বয়ক, ডিসি সবাইকে দেখে নেয়া হবে।’ তখন ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
মো তুহিন মোল্লা, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল। 



















