Dhaka 9:41 pm, Sunday, 28 June 2026

বাগমারা’য় চাহিদার তুলনায় পাওয়া যাচ্ছে অর্ধেক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:39:03 pm, Sunday, 28 June 2026
  • 7 Time View

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা ও প্রাপ্তির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যাকালীন পিক আওয়ারে ৩২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ফলে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪৭ শতাংশ।

২৩ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিবা অফপিক ও সন্ধ্যাকালীন পিক—উভয় সময়েই বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ দিনেই ১১ থেকে ১৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি থাকায় লোডশেডিংয়ের হার ৩৭ থেকে প্রায় ৪৭ শতাংশে পৌঁছেছে।
এদিকে নির্ধারিত লোডশেডিংয়ের বাইরে প্রায় প্রতিদিনই NLDC (National Load Despatch Center), ঢাকা কর্তৃক SCADA অপারেশনের মাধ্যমে বাগমারা ৩৩ কেভি লাইন ২০ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য একাধিকবার বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের নির্ধারিত লোড ম্যানেজমেন্ট সূচি ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম চলাকালীন সময়েও হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ২৪ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে SCADA অপারেশনের মাধ্যমে ৩৩ কেভি লাইন একাধিকবার বন্ধ রাখা হয়েছে, যার প্রতিটি ধাপের স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আকস্মিক SCADA- ভিত্তিক লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

লাখাইয়ে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক যুবক আটক

বাগমারা’য় চাহিদার তুলনায় পাওয়া যাচ্ছে অর্ধেক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

Update Time : 07:39:03 pm, Sunday, 28 June 2026

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা ও প্রাপ্তির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যাকালীন পিক আওয়ারে ৩২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ফলে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪৭ শতাংশ।

২৩ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিবা অফপিক ও সন্ধ্যাকালীন পিক—উভয় সময়েই বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ দিনেই ১১ থেকে ১৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি থাকায় লোডশেডিংয়ের হার ৩৭ থেকে প্রায় ৪৭ শতাংশে পৌঁছেছে।
এদিকে নির্ধারিত লোডশেডিংয়ের বাইরে প্রায় প্রতিদিনই NLDC (National Load Despatch Center), ঢাকা কর্তৃক SCADA অপারেশনের মাধ্যমে বাগমারা ৩৩ কেভি লাইন ২০ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য একাধিকবার বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের নির্ধারিত লোড ম্যানেজমেন্ট সূচি ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম চলাকালীন সময়েও হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ২৪ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে SCADA অপারেশনের মাধ্যমে ৩৩ কেভি লাইন একাধিকবার বন্ধ রাখা হয়েছে, যার প্রতিটি ধাপের স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আকস্মিক SCADA- ভিত্তিক লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।