
রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৮নং চেংমারী ইউনিয়নের তালিমগঞ্জ (মামুদেরপাড়া) এলাকায় গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত একটি পরিকল্পিত হামলার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ওইদিন বিকেল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে নজরুল ইসলাম (৫০), রবিউল ইসলাম (৩৫), সবুজ মিয়া (৩৫) ও শিল্পী বেগমসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা রাজ্জাক মিয়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে জাহিদ মিয়াকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে তাদের মারধর করা হয়।
এরপর বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে একই অভিযুক্তরা তালিমগঞ্জ বাজারে হেলাল উদ্দিনের দোকানে হামলা চালায়। হামলায় হেলাল উদ্দিন গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, নজরুল ইসলাম লোহার শাবল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে কাঁধে লাগে, ফলে তিনি গুরুতর জখম হন। এ সময় দোকান ভাঙচুর ও মালামাল নষ্ট করে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়।
আহত হেলাল উদ্দিনকে দ্রুত মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে, মামলার তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে। একই সঙ্গে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আসামি করা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য মেহেদী হাসানের ওপর হামলার ঘটনাও স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, প্রভাবশালী মহলের কারণে অভিযুক্তরা পার পেয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
Reporter Name 




















